হাঁপানির যম এই খাবারগুলো! আজই ডায়েট থেকে বাদ না দিলে বাড়বে বিপদ

অ্যাজমায় আক্রান্তদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে, খাদ্যাভ্যাস কি তাদের শ্বাসকষ্ট বাড়িয়ে তুলতে পারে? যদিও খাবার সরাসরি অ্যাজমার কারণ নয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার উপসর্গকে মারাত্মক করে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হাঁপানির রোগীদের অবশ্যই কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে সালফাইটযুক্ত খাবার যেমন শুকনো ফল, ওয়াইন এবং প্রক্রিয়াজাত আলু শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি, প্রিজারভেটিভযুক্ত মাংস, হট ডগ, হ্যাম ও সসেজের মতো খাবার ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যাদের নির্দিষ্ট কিছু খাবারে অ্যালার্জি আছে, যেমন—দুধ, ডিম বা চিনাবাদাম, তাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।
নিউট্রিশন রিভিউস-এ প্রকাশিত ২০২০ সালের একটি পর্যালোচনা অনুযায়ী, উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস হাঁপানি রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপকারী। প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি ও ফলমূল খেলে প্রদাহ কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন বেরি, পালং শাক ও ব্রোকলি খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। এছাড়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস হিসেবে স্যামন মাছ, আখরোট ও ফ্ল্যাক্স সিড ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন ডি এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডাল, শস্যদানা এবং কুমড়ার বীজ নিয়মিত গ্রহণ করলে হাঁপানির প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। মনে রাখবেন, নিজের ট্রিগার পয়েন্টগুলো শনাক্ত করে সুষম আহার ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যা থেকে অনেকটা স্বস্তি পাওয়া যায়।