মুড়ি বা গরম ভাত—সবের সঙ্গেই জমবে চিংড়ির পেঁয়াজি! জেনে নিন দারুণ এই রেসিপি

বর্ষার মেঘলা আকাশ আর সন্ধেবেলা মুড়ির সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা পেঁয়াজি—বাঙালি ভোজনরসিকদের কাছে এর চেয়ে বড় বিলাসিতা বোধহয় আর কিছু নেই। তবে সেই পেঁয়াজিতে যদি চিংড়ি মাছের স্বাদ মিশে থাকে, তবে তো সোনায় সোহাগা! শুধু বিকেলে স্ন্যাকস হিসেবেই নয়, দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গেও মাছের এই পেঁয়াজি দারুণ জমে যায়। খুব সহজ পদ্ধতিতে কীভাবে বানাবেন এই রেসিপি, তা নিচে দেওয়া হলো:
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
চিংড়ি মাছ: ২৫০ গ্রাম (পরিষ্কার করা)
পেঁয়াজ কুচি: ২০০ গ্রাম
লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো: আধ চা চামচ
রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস: ২ টেবিল চামচ
কাসুন্দি: ১ টেবিল চামচ
কর্নফ্লাওয়ার: ৬ টেবিল চামচ
বেসন: ৩ টেবিল চামচ
চালের গুঁড়ো: ৩ টেবিল চামচ
কাঁচা লঙ্কা কুচি: ২ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি: আধ কাপ
কালো জিরে: ১ চা চামচ
নুন: স্বাদমতো
সর্ষের তেল: ভাজার জন্য পরিমাণমতো
প্রস্তুত প্রণালী: ১. প্রথমে চিংড়ি মাছগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে পরিষ্কার করে নিন। একটি পাত্রে মাছের সঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, রসুন বাটা, কাসুন্দি, লেবুর রস এবং নুন দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। মশলা মেশানো মাছগুলো অন্তত ঘণ্টাখানেক ফ্রিজে রেখে দিন, এতে স্বাদ ভালো হয়। ২. এবার একটি বড় পাত্রে কর্নফ্লাওয়ার, বেসন, চালের গুঁড়ো, কালো জিরে, কাঁচা লঙ্কা কুচি এবং পেঁয়াজ কুচি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। ৩. এরপর ফ্রিজ থেকে মশলা মাখানো মাছ বের করে পেঁয়াজের মিশ্রণের সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি যদি খুব শুকনো মনে হয়, তবে প্রয়োজনে সামান্য জল ছিটিয়ে দিতে পারেন। সবশেষে ওপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। ৪. কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করুন। তেল গরম হলে মিশ্রণটি থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে পেঁয়াজির আকারে গড়ে নিন। ৫. মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে পেঁয়াজিগুলো লাল লাল করে মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিন।
ব্যাস! তৈরি আপনার সুস্বাদু ‘চিংড়ি পেঁয়াজি’। গরম ভাত বা মুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করুন আর জমে উঠুক আপনার জলখাবারের আসর।