এশীয় ফুটবলের মানচিত্র বদলে দিতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (AFC)। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আদলে এবার এশিয়ার মেগা টুর্নামেন্টকেও আরও বড় এবং প্রতিযোগিতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ মরশুম থেকেই এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে (বর্তমানে যা এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিট নামে পরিচিত) অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ২৪ থেকে বাড়িয়ে ৩২ করা হচ্ছে।
কেন এই রদবদল? এএফসি-র কার্যনির্বাহী কমিটির মতে, ফুটবলে অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং ক্লাব ফুটবলের মানকে বিশ্বপর্যায়ে নিয়ে যেতেই এই সিদ্ধান্ত। এর ফলে মহাদেশের আরও বেশি প্রান্তের ক্লাব এই হাই-ভোল্টেজ টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পাবে।
বদলে যাচ্ছে যে সমীকরণ: নতুন নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের ভৌগোলিক বিভাজন (পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চল) বজায় থাকলেও দুই অঞ্চলেই দল বাড়ছে।
প্রতিটি অঞ্চলে দলের সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ১৬ করা হবে।
দুই অঞ্চলের পয়েন্ট টেবিলের প্রথম ৬টি দল সরাসরি ‘রাউন্ড অফ সিক্সটিন’ বা শেষ ষোলোয় জায়গা পাবে।
৭ থেকে ১০ নম্বরে থাকা দলগুলোকে খেলতে হবে নতুন চালু হওয়া ‘নকআউট স্টেজ প্লে-অফ’ রাউন্ড। সেখান থেকে জয়ী দলগুলো শেষ ষোলোর বাকি টিকিট নিশ্চিত করবে।
জেদ্দায় নজর: চলতি মরশুমের (২০২৪-২৫) শেষ ষোলো এবং কোয়ার্টার ফাইনালের রোমাঞ্চকর লড়াই বর্তমানে সৌদি আরবের জেদ্দায় চলছে। তবে পরবর্তী মরশুম থেকে ৩২ দলের এই লড়াই ফুটবল বিশ্বে নতুন উন্মাদনা তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পেশাদার এডিটোরিয়াল নোট: ভারতীয় ক্লাবগুলোর জন্যও এটি একটি বড় সুযোগ হতে পারে। প্রতিযোগিতার পরিধি বাড়ায় আগামীতে আইএসএল-এর সেরা দলগুলোর জন্য এশিয়ার এই সর্বোচ্চ মঞ্চে জায়গা করে নেওয়া এবং লড়াই করার পথ আরও প্রশস্ত হলো।





