বর্তমান সময়ে মুদ্রাস্ফীতির বাজারে উচ্চশিক্ষার খরচ সামলানো মধ্যবিত্তের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। সন্তানের ভবিষ্যতের ভিত শক্ত করতে তাই এখন থেকেই সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের বৃহত্তম বিমা সংস্থা LIC নিয়ে এসেছে এমন তিনটি পলিসি, যা আপনার সন্তানের শিক্ষা এবং বিয়ের খরচ মেটাতে বড় সহায়ক হবে।
জেনে নিন LIC-র সেই সেরা তিনটি চাইল্ড প্ল্যান সম্পর্কে:
১. LIC অমৃতবাল (Amritbaal): বড় লক্ষ্যের জন্য বড় সঞ্চয়
এটি একটি স্বল্প মেয়াদী প্রিমিয়াম পলিসি। এই প্ল্যানটির বিশেষত্ব হলো এর গ্যারান্টিড অ্যাডিশন সুবিধা।
বয়স: ৩০ দিন থেকে ১৩ বছর পর্যন্ত শিশুদের নামে এই পলিসি নেওয়া যায়।
সুবিধা: প্রতি ১,০০০ টাকা বিমা রাশির ওপর ৮০ টাকা করে অতিরিক্ত যোগ হয়। যা ম্যাচিউরিটির সময় এক বিশাল অঙ্কে দাঁড়ায়।
২. LIC জীবন তরুণ (Jeevan Tarun): পড়াশোনার খরচ যখন তুঙ্গে
এটি একটি ‘পার্টিসিপেটিং নন-লিঙ্কড’ সেভিংস প্ল্যান। মূলত ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সে উচ্চশিক্ষার খরচের কথা মাথায় রেখেই এটি ডিজাইন করা হয়েছে।
সুবিধা: এই প্ল্যানে সারভাইভাল বেনিফিট বা মানিব্যাকের সুবিধা রয়েছে। অর্থাৎ, পলিসির মেয়াদের শেষ কয়েক বছরে আপনি বার্ষিক কিস্তিতে টাকা ফেরত পেতে পারেন।
৩. LIC নিউ চিলড্রেন মানি ব্যাক প্ল্যান (New Children’s Money Back Plan)
নাম থেকেই স্পষ্ট, এই স্কিমটি আপনাকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর লভ্যাংশ প্রদান করবে।
কিস্তি: সন্তানের বয়স যখন ১৮, ২০ এবং ২২ বছর হবে, তখন বিমা রাশির ২০% হারে টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
বাকি টাকা: ২৫ বছর বয়সে পলিসি ম্যাচিউর করলে বোনাসসহ বাকি টাকা হাতে আসে, যা বিয়ের খরচে কাজে লাগাতে পারেন।
কেন এই প্ল্যানগুলো আলাদা?
ট্যাক্স বেনিফিট: ইনকাম ট্যাক্সের ৮০সি (80C) ধারা অনুযায়ী কর ছাড়ের সুবিধা।
সুরক্ষা: পলিসি চলাকালীন অভিভাবকের কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ‘প্রিমিয়াম ওয়েভার বেনিফিট’ রাইডারের মাধ্যমে পলিসিটি সচল রাখা সম্ভব।
ঋণ সুবিধা: প্রয়োজনে এই পলিসি জমা রেখে লোন নেওয়ার সুযোগও থাকে।
বিঃদ্রঃ: যে কোনও বিমা পলিসিতে বিনিয়োগ করার আগে আপনার নিকটস্থ এলআইসি এজেন্ট বা সংস্থার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সমস্ত শর্তাবলী ভালো করে যাচাই করে নিন।





