সচিনের দূতের হাত ধরে ‘ফ্যাব ফোর’-এর বিরল ছবি, ইডেন টেস্টের আগে নস্ট্যালজিক সৌরভ

ছয় বছর পর ইডেন গার্ডেন্সে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ম্যাচ নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। বাইশ গজের আচরণ এবং ভারতীয় একাদশের কম্বিনেশন নিয়ে যখন জল্পনা চলছে, ঠিক তখনই ম্যাচের আগের দিন দুপুরে নস্ট্যালজিক হয়ে উঠলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সৌজন্যে—তাঁর একদা সতীর্থ সচিন তেন্ডুলকরের প্রেরিত এক দূত।
সচিনের ‘রহস্যময়’ অনুরোধ
বৃহস্পতিবার ভরা দুপুরে সচিন তেন্ডুলকরের বার্তা নিয়ে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ঘরে হাজির হন জনৈক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে মাস্টার-ব্লাস্টারের বিশেষ অনুরোধ নিয়ে উপস্থিত হওয়া দূত বলে দাবি করেন। সৌরভ প্রথমে কিছুটা অবাক হলেও পরে তাঁকে ডেকে পাঠান। দেখা যায়, ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ তাঁর দূতের হাত দিয়ে একটি পুরনো দিনের ছবি পাঠিয়েছেন। সেই ছবিতে সচিন-সৌরভ ছাড়াও রয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং রাহুল দ্রাবিড়—অর্থাৎ, একসময়ের ভারতীয় দলের কিংবদন্তি ‘ফ্যাব ফোর’।
সচিনের দূত সেই বিরল সোনালি মুহূর্তের ছবিতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সই চেয়ে অনুরোধ করেন। ‘ছোটে মিয়াঁ’র অনুরোধে কালবিলম্ব না করে সৌরভ তাতে সই করে দেন।
হুবহু মনে আছে ইংল্যান্ডের ম্যাচের বিবরণ
সই করার পরই নস্ট্যালজিক সৌরভ নিজেই জানান, ছবিটি তোলা হয়েছিল ইংল্যান্ডের হোভে। শুধু মাঠের নামই নয়, ওই মাঠে অনুষ্ঠিত টেস্টে ফ্যাব ফোরের পারফরম্যান্সের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়ে গেলেন ‘প্রিন্স অব ক্যালকাটা’। তাঁর ঘরে উপস্থিত সকলে অবাক হয়ে যান—এত পুরনো দিনের কথা কী করে হুবহু মনে রেখেছেন তিনি? সৌরভ হেসে জানান, “প্রশাসনের চেয়ারে বসলে কী হবে, আমি আদতে তো মাঠেরই লোক! তাই মাঠের কথা ভোলেন কী করে।” তবে সচিন কেন পুরনো ছবিটি পাঠিয়েছেন, সেই বিষয়ে দূত অবশ্য রহস্য জিইয়ে রেখে বলেন, “আমাকে বলা হয়েছে দাদির সই ছবির উপর করিয়ে আনতে। এর বেশি আমি কিছুই জানি না।”
কুম্বলের ফোন: টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে
এদিকে ইডেন টেস্টের টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক অনিল কুম্বলে এদিন সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসকে ফোন করেন। কুম্বলের স্ত্রী এই মুহূর্তে কলকাতায় রয়েছেন এবং দক্ষিণেশ্বর, বেলুড়-সহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরতে এসেছেন। তাঁর যাতে কোনো অসুবিধা না-হয়, সেই বিষয়ে সঞ্জয়কে অনুরোধ করেন ‘জাম্বো’। সেই সময় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর।