ভারতীয় সংস্কৃতি ও জনমানসে শুভ-অশুভ লক্ষণের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। যদিও আধুনিক বিজ্ঞান একে কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দেয়, তবুও প্রাত্যহিক জীবনে অনেক ছোটখাটো ঘটনাকে মানুষ আগাম বার্তার সংকেত হিসেবে গণ্য করে।
বাড়ি থেকে বেরনোর সময় কোনো সবজি বিক্রেতা বা আবর্জনা সংগ্রাহককে দেখা অত্যন্ত শুভ, যা কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে, চৌকাঠ পেরোনোর সময় গাভী বা জলভর্তি কলসি দেখা সৌভাগ্যের প্রতীক। তবে খালি বাসনপত্র হাতে কাউকে দেখা কাজের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। বাস্তুশাস্ত্রে ঝাড়ুকে দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক মানা হয়, তাই একে কখনো উল্টো করে রাখা উচিত নয়; এতে আর্থিক সমস্যা বাড়তে পারে।
ঘর থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর করতে ভাঙা কাচ, বন্ধ ঘড়ি বা শুকনো তুলসী গাছ দ্রুত সরিয়ে ফেলা জরুরি। পথে বিড়াল দেখলে অনেকেই ভয় পান, তবে বিড়ালকে খাওয়ানো শুভ বলে মনে করা হয়। হাঁচির বিষয়ে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, বাইরে বেরনোর সময় একবার হাঁচি দিলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা বাঞ্ছনীয়। এছাড়া সকালবেলা মন্দিরের ঘণ্টার ধ্বনি শোনা শুভ এবং রাতের বেলা কুকুরের ডাক অশুভ বলে বিবেচিত হয়। এই লক্ষণগুলো বৈজ্ঞানিক না হলেও আমাদের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক জীবনে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।





