দোকানের মধ্যে নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হতেই পলাতক বৃদ্ধ

দোকানে ময়দা কিনতে এসে শ্লীলতাহানির শিকার হলো এক নাবালিকা। অভিযুক্ত বৃদ্ধ দোকানদার ঘটনার পর থেকেই পলাতক। এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার ছুটমালপুর এলাকায়।
ঠিক কী ঘটেছিল?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় নাবালিকাটি ময়দা কেনার জন্য ওই দোকানে গিয়েছিল। দোকানদার তাকে জিনিসপত্র দেওয়ার নাম করে দোকানের ভেতরে নিয়ে যায় এবং সেখানেই তাকে শ্লীলতাহানি করে। নাবালিকার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে। এসময় স্থানীয় এক ব্যক্তি গোপনে এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন, যা পরবর্তীতে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে বৃদ্ধকে মারধর করলে সে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু করেছে এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য তল্লাশি শুরু করেছে।
কানপুরে গণধর্ষণ: প্রেমিক ও তার বন্ধুদের ভয়ংকর কীর্তি
অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের কানপুরে আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। পছন্দের জিনিসপত্র কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে এক নাবালিকাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে তার প্রেমিক মহেশ। এখানেই শেষ নয়, এরপর তার দুই বন্ধু সেখানে পৌঁছায় এবং এই ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা তিনজন মিলে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে এবং সেই ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেয়।
নাবালিকাটি পুলিশকে জানায়, অভিযুক্তরা তার কাছে ৭ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় তারা তাকে গণধর্ষণ করে। পুলিশ ইতিমধ্যেই মহেশের দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে। একজন ১৯ বছর বয়সী যুবককে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে জুভেনাইল হোমে রাখা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত মহেশ এখনও পলাতক রয়েছে এবং পুলিশ তার খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে। এই ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে।