দেগঙ্গায় একাধিক পরিবারের পরিচয় নিয়ে শুরু বিতর্ক! একগাদা বাংলাদেশি এই রাজ্যে…!

দেগঙ্গার কার্তিকপুরে কিছু পরিবারের নাম ভারত ও বাংলাদেশ, উভয় দেশের ভোটার তালিকাতেই থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে দেগঙ্গায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

দুই দেশের নাগরিক একই পরিবারের সদস্যরা
দেগঙ্গার কার্তিকপুরের বাসিন্দা পরিমল দাস এবং তাঁর স্ত্রী মঞ্জু দাসের নাম যেমন ভারতের ভোটার তালিকায় রয়েছে, তেমনি তাঁরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের রাউজান গ্রামেরও বাসিন্দা এবং সেখানকার ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম আছে। একই ভাবে, দীপক দাস এবং তাঁর স্ত্রী মৌরি দাসের নামও ভারতের ভোটার তালিকায় রয়েছে, কিন্তু তাঁরা বাংলাদেশেও ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত। তাঁদের সম্পর্কে জানা গেছে, তাঁরা কখনও এদেশে, আবার কখনও বাংলাদেশে থাকেন।

দীপক দাসের দাদা কাজল দাস এই প্রসঙ্গে বলেন, দীপক দাসের এদেশে ভোটার তালিকায় নাম আছে এবং তিনি মাঝে মাঝে বাংলাদেশে যাতায়াত করেন। যদিও স্থানীয়দের দাবি, দীপক দাস এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা এখানে কখনও বসবাস করেননি, কিন্তু ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে।

রাজনৈতিক চাপানউতোর
এই ঘটনা সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে।

বিজেপির দাবি: বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভোটের ফায়দা তোলার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস অবৈধভাবে বাংলাদেশের নাগরিকদের নাম ভারতীয় ভোটার তালিকায় যুক্ত করেছে।

তৃণমূলের দাবি: অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে, “সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের কড়া নজরদারি সত্ত্বেও কীভাবে বাংলাদেশিদের নাম এদেশে ভোটার তালিকায় ওঠে, তা পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত।” তৃণমূল আরও জানিয়েছে যে, তারা বারবার নির্বাচন কমিশনে অবৈধ ভোটার তালিকা নিয়ে সরব হয়েছে এবং বিজেপিই ইচ্ছাকৃতভাবে এসব নাম ঢুকিয়ে ভোটের ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।