সাবধান! আপনার প্রিয় লিপস্টিকে লুকিয়ে আছে ক্যান্সার ও বিষাক্ত ধাতু? ভারত সরকার কেন কঠোর হচ্ছে, জানুন!

লিপস্টিক নিয়ে কঠোর হচ্ছে ভারত সরকার। ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে জানিয়েছেন, লিপস্টিকে ক্ষতিকারক কী কী পদার্থ রয়েছে এবং সহনমাত্রার থেকে বেশি পরিমাণে সিসা (Lead) থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিয়মিত লিপস্টিক ব্যবহারের কারণেও শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে। লিপস্টিকে থাকা ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ ও বিষাক্ত ধাতুর কারণে কী কী সমস্যা হতে পারে, চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই বিষয়ে।

🔴 লিপস্টিক ব্যবহারের ৯টি মারাত্মক বিপদ

১. ঠোঁট কালো হওয়া ও চুলকানি: লিপস্টিকে একাধিক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। খুব বেশি লিপস্টিক ব্যবহার করলে প্রথমে ঠোঁট চুলকানো শুরু হয়। এরপরে ক্রমশ ঠোঁট চিরতরে কালো হয়ে যেতে পারে।

২. লিউকোডার্মার ঝুঁকি: খুব বেশি লিপস্টিক ব্যবহার করলে লিউকোডার্মার (Leucoderma) মতো রোগ হতে পারে, যা ত্বকের রঞ্জকতা (Pigmentation) নষ্ট করে দেয়।

৩. বিষাক্ত ধাতুর উপস্থিতি: অনেক লিপস্টিকে ক্যাডমিয়াম (Cadmium), পারদ (Mercury) এবং অ্যান্টিমনির (Antimony) মতো ক্ষতিকারক ধাতু থাকে।

৪. খনিজ তেলের বিপদ: অনেক লিপস্টিকে খনিজ তেল বা মিনারেল অয়েলের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য রীতিমতো ক্ষতিকারক।

৫. কার্সিনোজেনের ভয়: সিসা ছাড়াও লিপস্টিকে ফর্ম্যাল্ডিহাইড (Formaldehyde) থাকে। সঙ্গে কার্সিনোজেনের (Cancer-causing agent) মতো ক্ষতিকারক পদার্থের উপস্থিতিও অনেক ক্ষেত্রে মিলেছে।

৬. পেটে প্রবেশ: লিপস্টিক ঠোঁট থেকে অনেক সময়েই পেটে চলে যায়, বিশেষ করে দীর্ঘসময় ধরে লিপস্টিক ঠোঁটে থাকলে বা বারবার ঠোঁট চাটার কারণে। ফলে, এর ক্ষতিকারক উপাদান শরীরে প্রবেশ করে।

৭. শরীরে ধাতুর পরিমাণ বৃদ্ধি: যারা রোজ লিপস্টিক ব্যবহার করেন, তাদের শরীরে অ্যালুমিনিয়াম, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো ধাতুর পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে অনেক বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৮. লিপস্টিক নিয়ে ঘুম: অনেক ক্ষেত্রেই লিপস্টিক ঠোঁটে নিয়েই অনেকে ঘুমিয়ে পড়েন। এটি সবথেকে ক্ষতিকারক অভ্যাস। ঠোঁটের ক্ষতি, ত্বকের সমস্যা থেকে শুরু করে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ প্রবেশের মতো প্রতিটি বিপদই এই ক্ষেত্রে বহুগুণ বেড়ে যায়।