রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড়সড় অস্থিরতা। মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ফিরহাদের এই আকস্মিক পদত্যাগ কি দলের অভ্যন্তরীণ কোনো বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত? নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশল?
জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘পুরনো’ ও ‘নতুন’ বিতর্ক: সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন— ফিরহাদ হাকিম কি তৃণমূলের ‘পুরনো’ লবির সাথে তাল মিলিয়ে চলছেন, নাকি ‘নতুন’ নেতৃত্বের সাথে মতপার্থক্যের জেরেই এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দলের অন্দরে যে নতুন ও পুরনোদের সংঘাতের কথা শোনা যাচ্ছিল, এই ইস্তফা সেই গুঞ্জনকে আরও উসকে দিল।
কী বলছেন ওয়াকিবহাল মহল?
পদত্যাগের নেপথ্যে: মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই ফিরহাদ হাকিম মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে দলের অন্দরেও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
দলীয় অবস্থান: এই ঘটনা কি তৃণমূলের অন্দরে ‘নতুন’ বনাম ‘পুরনো’ দ্বৈরথের শেষ পরিণতি? নাকি দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের চাপে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন ফিরহাদ?
আগামী দিনের সম্ভাবনা: রাজনৈতিক মহলের নজর এখন তৃণমূল ভবনের দিকে। ফিরহাদ কি দলের সাথেই থাকছেন, নাকি তৃণমূলের বিকল্প কোনো মঞ্চে তাঁকে দেখা যাবে?
আপাতত পুরো রাজ্য তাকিয়ে রয়েছে ফিরহাদ হাকিমের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। তিনি কি ফের তৃণমূলেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন, নাকি নতুন কোনো পথ বেছে নেবেন? সেই উত্তর সময়ই দেবে।





