বিশ্বজুড়ে যখন যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত, তখন শান্তির আলোকবর্তিকা হয়ে দেখা দিচ্ছে দিল্লি-ওয়াশিংটন অক্ষ। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেকার ফোনালাপ এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর-এর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকার সেই জল্পনার আগুনে ঘি ঢেলেছে।
কী বার্তা দিলেন মার্কিন দূত? সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সার্জিও গর জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ায় (Middle East) স্থিতিশীলতা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিশেষ ভূমিকার কথা ভাবছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁর মতে, মোদী এমন একজন নেতা যাঁর সঙ্গে বিশ্বমঞ্চের প্রতিটি পক্ষের সুসম্পর্ক রয়েছে। মোদী-ট্রাম্পের এই রসায়ন মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংঘর্ষ থামাতে এক ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে।
কেন নজর কাড়ছে এই আলোচনা?
ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব: মোদী ও ট্রাম্পের ব্যক্তিগত উষ্ণ সম্পর্ক কূটনীতিতে নতুন গতি এনেছে।
ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা: ইসরায়েল এবং আরব দেশ—উভয় পক্ষের সঙ্গেই ভারতের মজবুত সম্পর্ক থাকায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মোদীর গ্রহণযোগ্যতা তুঙ্গে।
যুদ্ধ থামানোর অঙ্গীকার: হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প বৈশ্বিক সংঘাত কমানোর ওপর জোর দিচ্ছেন, যেখানে ভারতের সহযোগিতা অপরিহার্য।
খুলছে নতুন দিগন্ত: কূটনৈতিক মহলের মতে, এই ফোনালাপ কেবল সৌজন্য বিনিময় ছিল না, বরং এতে ছিল ভবিষ্যতের এক গভীর নীলনকশা। রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য—বিশ্বের জ্বলন্ত সমস্যাগুলো সমাধানে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ আর মোদীর ‘বিশ্ববন্ধু’ নীতি কি পারবে রক্তাক্ত পৃথিবীতে শান্তির বাতাবরণ ফিরিয়ে আনতে? সারা বিশ্বের নজর এখন এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।





