রাজ্যে ফের একবার পুলিশ ও প্রশাসনের অন্দরে ইডির (ED) সক্রিয়তা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বহুচর্চিত ‘সোনা পাপ্পু’ (Sona Pappu) আর্থিক তছরুপ মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের স্ক্যানারে হাওড়া পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার গৌরব লাল। তদন্তের স্বার্থে এই আইপিএস (IPS) অফিসারকে সমন পাঠিয়ে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
কেন তলব করা হলো গৌরব লালকে?
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পু মামলার মূল অভিযুক্তদের সঙ্গে গৌরব লালের কোনো আর্থিক লেনদেন বা যোগসূত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে চান আধিকারিকরা। অভিযোগ উঠেছে:
প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা: সোনা পাপ্পুর অবৈধ কারবার এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক নয়ছয়ের ঘটনায় প্রশাসনিক কোনো সাহায্য নেওয়া হয়েছিল কি না, ইডি তা জানতে আগ্রহী।
বিলাসবহুল লেনদেন: তদন্তে কিছু নির্দিষ্ট নথিপত্র এবং বয়ানে জয়েন্ট কমিশনারের নাম উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
সোনা পাপ্পু কাণ্ড কী?
এটি মূলত একটি বিশাল মাপের অর্থ তছরুপ এবং সোনা চোরাচালান সংক্রান্ত মামলা। এই কাণ্ডে এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম জড়িয়েছে। ইডির দাবি, এই চক্রের মাধ্যমে কয়েকশো কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে এবং সেই টাকার একটা বড় অংশ প্রভাবশালী মহলে পৌঁছেছে।
তদন্তের গতিপ্রকৃতি
সিজিও কমপ্লেক্স সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহেই গৌরব লালকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বয়ান রেকর্ড করার পাশাপাশি তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির খতিয়ানও খতিয়ে দেখা হতে পারে। এই সমন ঘিরে এখন প্রশাসনিক মহলে রীতিমতো হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে এই একই মামলায় আরও কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। গৌরব লালকে সমন পাঠানো এই তদন্তে এক বড় মোড় বলেই মনে করা হচ্ছে।





