উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে শিক্ষার পবিত্র আঙিনায় এক কলঙ্কজনক অভিযোগ উঠল। ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের চাপ এবং গোমাংস খাওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো কোচিং শিক্ষক সোহেল আহমেদকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শহর জুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ঠিক কী অভিযোগ?
ঝাঁসি শহরের ওই কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী:
জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ: শিক্ষক সোহেল আহমেদ বেশ কিছুদিন ধরেই ওই ছাত্রীকে নিজের ধর্ম গ্রহণ করার জন্য মানসিক চাপ দিচ্ছিলেন।
ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত: অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে গরুর মাংস (Beef) খাওয়ানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত শিক্ষক।
ব্ল্যাকমেল ও হুমকি: রাজি না হলে ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশি পদক্ষেপ ও গ্রেফতার
অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই সক্রিয় হয় ঝাঁসি পুলিশ। সোহেল আহমেদের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের অবৈধ ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন এবং সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।
শহর জুড়ে উত্তেজনা
ঘটনাটি জানাজানি হতেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি কোচিং সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে এবং কোচিং সেন্টারটির বৈধতাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে অভিযুক্ত সোহেল আহমেদ পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।





