পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে, আর এই সরকার নিজেই একটি “প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি” – এই ভাষাতেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। তার মতে, বর্তমান সরকার রাজ্যের সাধারণ মানুষকে কোনো ‘উপহার’ দিতে পারেনি। তার এই মন্তব্য রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিজেপির ধারাবাহিক আক্রমণেরই অংশ।
আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে ‘ঝাঁটা হাতে’ সিবিআই দফতরে ‘সাফাই অভিযান’: রাজপথ ফের স্লোগানে মুখরিত
কলকাতা, ১লা আগস্ট ২০২৫: আরজি কর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের এক বছর পূর্তি আসন্ন। এই নৃশংস ঘটনার বিচার দাবিতে গত এক বছর ধরে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সংগঠন। এই প্রেক্ষাপটে, এবার এক অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সিজিও কমপ্লেক্সের (সাবেক সিবিআই দফতর) অভিমুখে ‘সাফাই অভিযান’ চালালো ‘অভয়া মঞ্চ’ এবং ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস’। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ঝাঁটা। তাদের দাবি, সিবিআই দফতরে ‘সাফাই অভিযান’ চালাতেই তারা প্রতীকীভাবে হাতে ঝাঁটা তুলে নিয়েছেন।
তাদের একমাত্র দাবি – ‘তিলোত্তমার বিচার চাই’। আগামী ৯ই আগস্ট আরজি কর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের এক বছর পূর্ণ হবে। এই ঘটনায় সঞ্জয় রায় নামের একজন অভিযুক্ত জেলবন্দি থাকলেও, প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার অধরা রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিচারের দাবিতে আবারও রাজপথ স্লোগানে মুখরিত হলো। অভয়ার খুনের এক বছর উপলক্ষে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে এদিন সিবিআই দফতর অভিমুখে এই ‘সাফাই অভিযান’ ছিল অন্যতম।
প্রতিবাদকারীরা মুখে স্লোগান আর হাতে ঝাঁটা নিয়ে প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, সিবিআই দফতর বর্তমানে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে অন্যত্রে স্থানান্তরিত হয়েছে। তবে, অভয়া মঞ্চের সাতজন সদস্য পূর্বতন সিবিআই দফতরে গিয়ে একটি ডেপুটেশন জমা দেন।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত চিকিৎসক পুণ্যব্রত গুঁই সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “সিবিআই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট না দেওয়ায় টালা থানার ওসি ও সন্দীপ জামিন পেয়েছেন। অভয়ার বাবা-মা মাস দুয়েক আগে দিল্লিতে সিবিআই ডিরেক্টরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে সঞ্জয় রায়ই দোষী।” তার এই মন্তব্য সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা এবং মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ন্যায়বিচারের দাবিতে সাধারণ মানুষের এই প্রতিবাদ চলমান থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।





