নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ার সাথে সাথেই মেজাজ হারাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা। কিন্তু এবার ‘দাদাগিরি’ করতে গিয়ে শ্রীঘরই ঠিকানা হলো পূর্ব বর্ধমানের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকতের। পুলিশকে প্রকাশ্যে হুমকি ও শাসানোর অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লোকসভা নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা শাসক দলের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৪ মার্চ। বর্ধমান থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যখন এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন, সেই সময় তাঁদের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন নাড়ুগোপাল। অভিযোগ, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের প্রকাশ্যেই শাসাতে শুরু করেন তিনি। গোটা ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। বিষয়টি নজর এড়ায়নি নির্বাচন কমিশনেরও। গতকাল পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিদর্শনে আসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজকুমার আগরওয়াল। সূত্রের খবর, সিইও-র কড়া নির্দেশের পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে।
অন্যদিকে, ভোটের আবহে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার নারায়ণপুরও। সেখানে নারায়ণপুর থানার আইসি-কে (IC) সরাসরি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। দুই তৃণমূল কর্মীকে পুলিশ আটক করার খবর পেয়েই মেজাজ হারিয়ে থানায় চড়াও হন তিনি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি পুলিশ আধিকারিককে কার্যত হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। যদিও এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে নির্বাচনের মুখে বারবার পুলিশকে টার্গেট করার ঘটনায় কমিশনের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট।





