গর্ভধারণের পর প্রত্যেক হবু মায়ের মনেই একটি কৌতূহল উঁকি দেয়—গর্ভস্থ সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে? যদিও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব, তবুও আমাদের প্রচলিত সংস্কৃতিতে শরীরের কিছু পরিবর্তন দেখে লিঙ্গ নির্ধারণের প্রাচীন কিছু পদ্ধতি আজও জনপ্রিয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমোনের পরিবর্তনের কারণে গর্ভবতী নারীর শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ ফুটে ওঠে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, যদি গর্ভবতী মায়ের পেটের আকার নিচের দিকে ঝুঁকে থাকে, তবে পুত্র সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অন্যদিকে, পেটের আকার যদি গোল এবং ওপরের দিকে থাকে, তবে তা কন্যা সন্তানের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।
এছাড়া খাদ্যাভ্যাসেও বড় পরিবর্তন আসে। বলা হয়, গর্ভবতী নারী যদি টক বা নোনতা খাবার বেশি পছন্দ করেন, তবে তা ছেলে হওয়ার ইঙ্গিত। মিষ্টি খাবারের প্রতি ঝোঁক থাকলে মনে করা হয় কন্যা সন্তান আসতে চলেছে। এমনকি ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং হার্ট রেটও অনেক ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহী হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, এগুলো মূলত দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণা। সন্তান যাই হোক না কেন, মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্যই হওয়া উচিত আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।





