মূত্রের রং ঘোলাটে হয়ে গিয়েছে, এই রোগ বাসা বাঁধেনিতো দেহে?

আমরা সকলেই জানি পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না খেলে কখনোই মূত্রের রং পরিষ্কার হয় না। বেশিরভাগ সময় শরীরে জলের অভাবে মূত্রের রং পাল্টে যেতে পারে। অনেক সময় আবার ওষুধের প্রভাবেও মূত্রের রং পাল্টে যায়। কিন্তু সাধারণ অবস্থায় মূত্রের রং ঘোলাটে হয়ে যাবার পেছনে কি কারণ থাকে সেটাই জেনে নেব আমরা।

বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি কি ধরনের খাবার বা পানীয় কাছে তার প্রভাব পড়ে মূত্রের রঙের উপর। এমন অনেক পানীয় রয়েছে বা এমন অনেক খাবার রয়েছে যা খেলে রং ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারগুলি কি কি?

নোনতা খাবার: অতিরিক্ত ভাজাভুজি খাবার খেলে বা প্রক্রিয়াজাত মাংস নুনের পরিমাণ বেশি থাকলে মূত্রের রং ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত নুন খেলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায় এই ধরনের খাবার খেয়ে কেউ যদি পর্যাপ্ত জল না খায় সে ক্ষেত্রে মূত্রের রং পাল্টে যায়।

ফ্রুটস সিরাপ: অনেক সময় কৃত্রিম সিরাপ খেলে রং পাল্টে যেতে পারে। সিরাপে দেওয়া যে কোন পানীয় বা মিষ্টি খাবার খেলে রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে রক্ত যদি এই মাত্রা বাড়তে থাকে তাহলে মূত্রের রং ঘোলাটে হয়ে যায়।

দুগ্ধজাত খাবার: অনেক সময় সদ্যোজাত শিশুদের মূত্রের রং ঘোলাটে হয়ে যায় কারণ দুগ্ধ বা দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে রক্তে ফসফরাসের মাত্রা বেড়ে যায় তাই পাল্টে যায় মূত্রের রং।

মাংস: মাংসে প্রোটিনের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকে তাই প্রতিদিন যদি কেউ মাংস খায় সে ক্ষেত্রে মূত্রে এমন পরিবর্তন চোখে পড়ে।

সামুদ্রিক খাবার: সামুদ্রিক চিংড়ি বা ঝিনুকের মতো খোলা যুক্ত সামুদ্রিক খাবারে পিউরিন নামে একপ্রকার যৌগের পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে। এটি পরিবর্তিত হয়ে ইউরিক অ্যাসিডে পরিণত হয় যা প্রস্রাবকে প্রভাবিত করে।

এলকোহল: অতিরিক্ত মদ্যপান করলে শরীরে জলের ঘাটতে দেখা দিতে পারে তাই প্রস্রাব ঘোলাটে হয়ে যায়।

ক্যাফিন জাতীয় পানীয়: দিনে যদি বহুবার ক্যাফিন জাতীয় পানীয় বা গ্রিন টি খাওয়া হয় সেখানে শরীর হাইড্রেটেড হয়ে যায় এবং মূত্রের রং পাল্টে যায়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy