সস্তায় পুষ্টিকর খাবারের কথা উঠলে প্রথমেই আসে ডিমের নাম। প্রোটিনের খনি এই ডিম আমরা রোজই খাই, কিন্তু জানেন কি, আমাদের অজান্তেই একটা ছোট্ট ভুলে এর স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে? অনেকেরই অভিযোগ, ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে হয় তা কাঁচা থেকে যায়, নয়তো বেশি সেদ্ধ হয়ে রবারের মতো শক্ত হয়ে যায়। পেশাদার রাঁধুনি ও পুষ্টিবিদদের মতে, আপনি কেমন কুসুম পছন্দ করেন তার ওপর নির্ভর করে সেদ্ধ করার সময়।
সময়ের হিসেবে কুসুমের রকমফের:
৬ মিনিট: আপনি যদি ‘নরম সেদ্ধ’ বা হাফ-বয়েল পছন্দ করেন (সাদা অংশ জমাট কিন্তু কুসুম তরল), তবে ৬ মিনিটই যথেষ্ট।
৮ মিনিট: মাঝারি ধাঁচের কুসুম পেতে ৮ মিনিট সময় দিন।
১০-১২ মিনিট: কুসুম পুরোপুরি শক্ত ও জমাট বাঁধাতে চাইলে ১০ থেকে ১২ মিনিট সময় লাগে। তবে সাবধান! ১২ মিনিটের বেশি সেদ্ধ করলে ডিম বিস্বাদ ও শক্ত হয়ে যায়।
নিখুঁত সেদ্ধ করার গোপন পদ্ধতি: ১. একটি পাত্রে জল দিয়ে তাতে ডিমগুলো পুরোপুরি ডুবিয়ে রাখুন। ২. জলে এক চিমটি নুন দিন। এটি ডিমের খোসা ছাড়ানোকে অনেক সহজ করে তোলে। ৩. জল ফুটতে শুরু করলে সময় গোনা শুরু করুন। ৪. সেদ্ধ হয়ে গেলেই সঙ্গে সঙ্গে গরম জল ফেলে দিয়ে ডিমগুলো ঠান্ডা জল বা বরফের বাটিতে রাখুন। একে বলা হয় ‘শক ট্রিটমেন্ট’। এটি ডিমের ভেতরের রান্না হওয়া বন্ধ করে দেয় এবং খোসা মসৃণভাবে ছাড়াতে সাহায্য করে।
কীভাবে খেলে মিলবে সর্বোচ্চ পুষ্টি? পুষ্টিবিদদের মতে, তেল-মশলা দিয়ে অমলেট বা পোচ খাওয়ার চেয়ে গোটা সেদ্ধ ডিম অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে প্রোটিন সরাসরি শরীরে কাজে লাগে। তবে সবসময় টাটকা ডিম খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং সেদ্ধ করার পর বেশিক্ষণ গরম জলে ফেলে রাখবেন না।





