প্রথম দফার ভোটে ১৪ জন প্রার্থী সম্পূর্ণ নিরক্ষর! চমকে দেবে এডিআর-এর (ADR) এই বিস্ফোরক রিপোর্ট

আগামী বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল রাজ্যের প্রথম দফার মহারণ। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। কিন্তু ইভিএম-এ বোতাম টেপার আগে আপনার পছন্দের প্রার্থী ঠিক কতটা শিক্ষিত? ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (ADR)-এর তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এল এমন কিছু তথ্য, যা শুনলে আপনিও অবাক হতে পারেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতার অবাক করা খতিয়ান:

নিরক্ষর ও স্বাক্ষর: প্রথম দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এমন ১৪ জন প্রার্থী সম্পূর্ণ নিরক্ষর, অর্থাৎ তাঁরা নিজের নামটুকুও সই করতে পারেন না। ২৯ জন প্রার্থী কোনোমতে সই করতে পারেন (স্বাক্ষর)।

স্কুলের গণ্ডি: ৩২ জন প্রার্থী পঞ্চম শ্রেণি এবং ১৮০ জন প্রার্থী অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ। মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) পাশ করা প্রার্থীর সংখ্যা ২৪৬ জন।

উচ্চশিক্ষিত: তালিকায় উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীর সংখ্যাও মন্দ নয়। ৩৬১ জন স্নাতক (Graduate) এবং ২২৫ জন স্নাতকোত্তর (Post Graduate) প্রার্থী লড়ছেন। এমনকি ২০ জন ডক্টরেট (Ph.D) ডিগ্রিধারী প্রার্থীও এই প্রথম দফায় ভাগ্য পরীক্ষায় নেমেছেন।

বয়সের সমীকরণ:
প্রথম দফার ভোটে বয়সের বৈচিত্র্যও বেশ আকর্ষণীয়। ২৫-৩০ বছর বয়সী ১০৩ জন তরুণ তুর্কি যেমন লড়ছেন, তেমনই ৮৫ বছর বয়সী অভিজ্ঞ প্রবীণ প্রার্থীও রয়েছেন ২ জন। ৫০-এর কোঠায় বয়স এমন প্রার্থীর সংখ্যা সবথেকে বেশি (৪৫৩ জন)।

প্রার্থী সংখ্যার পরিসংখ্যান:
১৫২টি কেন্দ্রে মোট ১৪৭৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে মাত্র ১৬৭ জন মহিলা প্রার্থী, যেখানে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ১৩০৮ জন। নির্দল হিসেবে লড়ছেন ৪৬৬ জন প্রার্থী। মোট ৭০টির বেশি রাজনৈতিক দল এই দফার লড়াইতে শামিল হয়েছে। হলফনামা বিশ্লেষণ করে পাওয়া এই তথ্য এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy