১১৪টি রাফাল কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে ৩.২৫ লক্ষ কোটির বড় চুক্তি মোদী সরকারের

একজন পেশাদার সংবাদ সম্পাদক হিসেবে ডেইলিহান্ট (DailyHunt)-এর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি নিচে পুনর্লিখন করা হলো:

শিরোনামের বিকল্প (৩টি):

১. আকাশে ভারতের রাজত্ব! ১১৪টি রাফাল কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে ৩.২৫ লক্ষ কোটির বড় চুক্তি মোদী সরকারের। ২. রাফাল ডিল নিয়ে ঘুম উড়েছে শত্রুপক্ষের! ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় এবার ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমান? ৩. ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি! ভারতের হাতে আসছে গেম চেঞ্জার রাফাল, প্রকাশ্যে বিস্তারিত।

মূল প্রতিবেদন:

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতের আকাশসীমার সুরক্ষায় নতুন মাইলফলক। প্রতিবেশী দেশগুলির চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে আকাশপথের ক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়াতে মরিয়া মোদী সরকার। সম্প্রতি ১১৪টি রাফাল মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ফ্রান্সের কাছে একটি ‘লেটার অব রিকোয়েস্ট’ (LoR) পাঠানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার এই বিশাল চুক্তি ভারতের ইতিহাসের বৃহত্তম যুদ্ধবিমান কেনার প্রকল্প হতে চলেছে।

চুক্তির মূল বৈশিষ্ট্য ও রণকৌশল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফ্রান্সে এই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হবে। এই চুক্তির অন্যতম বিশেষত্ব হলো ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্প। ১১৪টি বিমানের মধ্যে প্রায় ৯০টি বিমান ভারতেই তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফ্রান্সের ডাসল্ট অ্যাভিয়েশন এবং ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এই বিমানগুলি তৈরি হবে। সরাসরি ফ্রান্স থেকে আনা হবে মাত্র ২২টি বিমান।

এই প্রকল্পে প্রায় ৫০ শতাংশ দেশীয় উপাদান (ইন্ডিজেনাস কনটেন্ট) ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে, যা ভারতের বিমান উৎপাদন শিল্পে এক নতুন বিপ্লব আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন রাফালকেই বেছে নিল ভারত? রাফালকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও শক্তিশালী মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান হিসেবে গণ্য করা হয়। আকাশপথে আধিপত্য বিস্তার, নির্ভুল নিশানায় স্থলভাগে হামলা, নজরদারি এবং যে কোনো জটিল পরিস্থিতিতে প্রতিহত করার অসীম ক্ষমতা রয়েছে এই বিমানের। আঞ্চলিক নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতীয় বায়ুসেনার সক্ষমতা বাড়াতে রাফালকে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এই ডিলের ফলে কেবল ভারতীয় বায়ুসেনাই শক্তিশালী হবে না, বরং ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যেকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর হবে। পাকিস্তানের মতো দেশগুলির কাছে এই সংবাদ যথেষ্ট উদ্বেগজনক, কারণ ভারতের এই সামরিক প্রস্তুতি দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে।

সব মিলিয়ে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের এই বড় পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলেও বিশেষ নজর কাড়ছে। এখন চূড়ান্ত চুক্তির অপেক্ষায় দেশবাসী ও সমর বিশেষজ্ঞরা।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy