রাজ্যে ক্ষমতায় আসার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সরকারের এই কড়া সিদ্ধান্তের পরেই ছবিটা বদলাতে শুরু করেছে। একদিকে যেমন শুরু হয়েছে ধরপাকড়, অন্যদিকে আতঙ্কে নিজেদের দেশে ফেরার জন্য সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীরা।
মঙ্গলবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুর চেকপয়েন্টে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেছে। সেখানে দলে দলে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীরা জমায়েত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বিএসএফ-এর মাধ্যমে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। প্রশাসনের এই কঠোর বার্তা পৌঁছাতেই যেন আতঙ্ক ছড়িয়েছে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে।
ইতিমধ্যেই মালদা এবং মুর্শিদাবাদের লালগোলায় হোল্ডিং সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মালদায় ইতিমধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে এই সেন্টারে রাখা হয়েছে। সরকারের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে অবৈধ বাসিন্দাদের মধ্যে এখন কার্যত ‘পালাই পালাই’ রব উঠেছে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সরকারি নির্দেশিকা জারির পর থেকে অবৈধ অভিবাসীরা বুঝতে পারছেন যে, রাজ্য সরকারের এই কড়াকড়ির কবলে পড়লে তাদের আইনি জটিলতায় পড়তে হবে। তাই ধরপাকড় এড়াতে আগেভাগেই স্বেচ্ছায় সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরার পথ বেছে নিচ্ছেন তারা। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এখন নিরাপত্তার কড়াকড়ি তুঙ্গে।





