উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এক চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হরবংশমহল থানা এলাকায় এক আইন পড়ুয়া তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মোহাম্মদ কাইফ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত একটি পশু হাসপাতাল থেকে। ভুক্তভোগী ছাত্রী গরু চিকিৎসার জন্য পশু হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক রাজদীপ নামে এক যুবকের সাহায্য নিতে বলেন। অভিযোগ, রাজদীপ পরিচয়ে কাইফ ছাত্রীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং নিজেকে হিন্দু দাবি করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে ছাত্রীটি জানতে পারে যুবকটি আসলে মাসওয়ানপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ কাইফ। সত্য সামনে আসতেই অভিযুক্ত তাকে হুমকি দিতে শুরু করে। ছাত্রীটির অভিযোগ, কাইফ নিয়মিত নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তার বাড়িতে গিয়ে অকথ্য গালিগালাজ করত এবং কলেজ যাওয়ার পথে অনুসরণ করে পরিবারকে হত্যার হুমকি দিত। ভয়ে মেয়েটি পড়াশোনা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল।
তদন্তে নেমে পুলিশ দেখে, কাইফ ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে একাধিক ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করে হিন্দু নাম ব্যবহার করত। এভাবে সে আরও কতজন তরুণীকে ফাঁদে ফেলেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোতোয়ালি এসিপি আশুতোষ সিং জানিয়েছেন, তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের ডিজিটাল প্রতারণার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।





