ক্রিকেট পিচের রোলার খেলা পরিবর্তনের এক বড় অস্ত্র। কোয়ালিফায়ার ২-এ রাজস্থান রয়্যালসের ২১৫ রানের বিশাল স্কোরও গুজরাট টাইটান্সের কাছে ম্লান হয়ে যায়। রাজস্থান অধিনায়ক রিয়ান পরাগের দাবি, ইনিংসের মাঝপথে গুজরাট টাইটান্সের ভারী রোলার ব্যবহারের সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, ইনিংসের বিরতিতে কোন রোলার ব্যবহার করা হবে, তার সম্পূর্ণ অধিকার ব্যাটিং দলের। ভারী রোলার (১৫০০-২৫০০ কেজি) পিচের ফাটল বন্ধ করে মাটিকে শক্ত ও সমতল করে তোলে, যা বোলারদের বাউন্স ও মুভমেন্ট কমিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজ সহজ করে দেয়। অন্যদিকে, হালকা রোলার (৫০০-১০০০ কেজি) পিচের গভীরতায় কোনো পরিবর্তন না এনে কেবল উপরিভাগ মসৃণ করে।
অধিনায়ক পরাগের মতে, প্রথম ইনিংসে স্পিনাররা পিচ থেকে সুবিধা পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ভারী রোলারের প্রভাবে পিচ ব্যাটিং-স্বর্গ হয়ে ওঠায় স্পিনাররা কার্যকর হতে পারেননি। ১৯৩০-এর দশকে মাঠকর্মীদের টেনে আনা সেই ভারী রোলার আজ আধুনিক মোটরচালিত যন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। তবুও কৌশলগত এই সিদ্ধান্তের সঠিক ব্যবহার আজও ক্রিকেট ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দেয়। আইসিসি আইন ১০(ক) ও ১০(গ) অনুযায়ী, ব্যাটিং দলের অধিনায়কের এই কৌশলী সিদ্ধান্ত অনেক সময় ম্যাচ জেতার টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।





