বাংলার শিল্প মানচিত্রে এক নতুন পালক যোগ হতে চলেছে। হাওড়ায় বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলতে চলেছে দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘আমূল’ (Amul)। এই প্রকল্পের জন্য আমূলের পক্ষ থেকে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করা হচ্ছে, যা রাজ্যের কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রকল্পের বিশেষত্ব ও বিনিয়োগ:
বিশ্বের বৃহত্তম: হাওড়ায় এই কেন্দ্রটি আমূলের ইতিহাসে তো বটেই, বরং বিশ্বের নিরিখেও বৃহত্তম দই উৎপাদন কারখানা হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই প্ল্যান্টে বিপুল পরিমাণে দই উৎপাদন করা হবে, যা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতেও সরবরাহ করা হবে।
বিরাট বিনিয়োগ: এই কারখানাকে ঘিরে কয়েকশ কোটি টাকার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। এর ফলে স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে অমিত শাহ: এই মেগা প্রকল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। সূত্রের খবর, এই কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রশাসনিক মহলে খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই এই অনুষ্ঠানের সূচনালগ্নে উপস্থিত থাকতে পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পটিকে ‘শিল্পবান্ধব বাংলা’ গড়ার একটি বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কেন হাওড়া? যাতায়াত ব্যবস্থা এবং বাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই হাওড়াকে এই মেগা প্রজেক্টের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। দুগ্ধজাত পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে আমূলের এই পদক্ষেপ রাজ্যের দুগ্ধ চাষিদের জন্যও নতুন আশার আলো দেখাবে।
এই শিল্প প্রকল্পটি রাজ্যের অর্থনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে এখন থেকেই ব্যবসায়িক মহলে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে।





