শূকর মারতে পাতা হয়েছিল ফাঁদ! ধান জমি থেকে উদ্ধার প্রৌঢ়ের ঝলসে যাওয়া দেহ, পাঁতিহালে তীব্র চাঞ্চল্য

গ্রামীণ হাওড়া জুড়ে কৃষি জমিতে শূকরের তাণ্ডব থেকে ফসল বাঁচাতে কৃষকরা যে পন্থা অবলম্বন করছিলেন, সেটাই মর্মান্তিক মৃত্যু ডেকে আনল এক ব্যক্তির। হাওড়ার পাঁতিহালে শূকর মারার জন্য পাতা বিদ্যুৎবাহী তারের সংস্পর্শে এসে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ।

বৃহস্পতিবার সকালে ধান জমি থেকে এক প্রৌঢ়ের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম নবকুমার দাস (৬০)। তিনি পাঁতিহালের ঢালীপাড়ার বাসিন্দা।

নিখোঁজ ছিলেন প্রৌঢ়
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নবকুমার দাস বুধবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। অন্যান্য দিনের মতো বুধবার তিনি গৃহপালিত পশুর জন্য মাঠ থেকে ঘাস কেটে আনতে বেরিয়েছিলেন। এরপর রাতেও তিনি বাড়ি না ফেরায় বুধবার রাতেই পরিবারের তরফে স্থানীয় জগৎবল্লভপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

বহু খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার সকালে এলাকার একটি চাষের জমি থেকে নবকুমার দাসের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ
মৃতের পরিবারের অভিযোগ, যে চাষের ক্ষেত থেকে নবকুমারের দেহ উদ্ধার হয়েছে, সম্ভবত সেখানেই ঘাস কাটতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এলাকার কৃষকরা শূকরের অত্যাচার থেকে ফসল সুরক্ষিত রাখতে তাঁদের চাষের জমিতে বিদ্যুৎবাহী তার লাগিয়ে রাখেন। পরিবারের অনুমান, কোনো ভাবে সেই বিদ্যুতবাহী তারের সংস্পর্শে এসেই নবকুমারের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ।