শিলিগুড়ি পুরনিগমের অন্দরে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য। ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি সামাল দিতে ডাকা তৃণমূলের জরুরি বৈঠক কার্যত ভেস্তে যাওয়ায় জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
রঞ্জন সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: প্রশ্ন উঠছে, রঞ্জন সরকার কি শুধুই পরিষদীয় দলনেতার পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাইছেন, নাকি আগামী দিনে ডেপুটি মেয়রের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকেও পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রঞ্জন সরকারের এই মানসিক অবস্থার পেছনে দলীয় অভ্যন্তরীণ কোনো চাপা ক্ষোভ বা সমন্বয়ের অভাব কাজ করছে কি না, তা নিয়েও দলীয় অন্দরে কাটাছেঁড়া চলছে।
ভেস্তে গেল বৈঠক: শিলিগুড়ির রাজনৈতিক সমীকরণে ডেপুটি মেয়রের এই অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিতকে তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দলের পক্ষ থেকে বৈঠক ডাকা হলেও, সেই বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় দলের অভ্যন্তরীণ ফাটল আরও স্পষ্ট হয়েছে। রঞ্জন সরকারের এই ‘ইস্তফা-ইচ্ছা’র খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিরোধী দলগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
আগামী দিনের সমীকরণ: শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরণের পদত্যাগের জল্পনা পুরো প্রশাসনিক কাঠামোকেই অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। রঞ্জন সরকার শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, নাকি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে এই জটিলতা কাটবে, এখন সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন।
এখন শিলিগুড়ি পুরনিগমের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে তৃণমূলের অন্দরে কি কোনো বড় রদবদল হতে চলেছে? সবটাই নির্ভর করছে পরবর্তী কয়েক দিনের সিদ্ধান্তের ওপর।




