বিক্ষোভের মুখেও বেওয়ারিশ লাশের সৎকার! গভীর রাতে কেন চুপিচুপি দাহকাজ সারলেন পৌর চেয়ারম্যান?

দুর্গাপূজার ঠিক মুখে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের বেওয়ারিশ লাশ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও দুর্গন্ধে তৈরি হওয়া অস্বস্তি থেকে অবশেষে মুক্তি পেল শহর। নিউজ 18 বাংলার খবরের জের ধরে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিল আলিপুরদুয়ার পৌরসভা। বেওয়ারিশ লাশগুলো হাসপাতাল থেকে সরিয়ে সৎকার করার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডেই তীব্র বিক্ষোভ
যদিও এই বেওয়ারিশ লাশগুলো দাহ করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছিল পৌরসভাকে। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই বেওয়ারিশ মৃতদেহ সৎকারে গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে বারবার ফিরে আসতে হয় পৌরসভার কর্মীদের।

জানা গিয়েছে, খোদ পৌর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ করের নিজস্ব ১ নং ওয়ার্ডে যখন কাঠের চুল্লিতে লাশ দাহ করার ব্যবস্থা করা হয়, তখনই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রবল বিক্ষোভ শুরু করেন। পচা দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের প্রতিবাদে তাঁরা পৌরকর্মীদের সেখান থেকে ফিরিয়ে দেন।

গভীর রাতে সমাধান আনলেন চেয়ারম্যান
বারবার ব্যর্থ হওয়ার পর পৌর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর নিজেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। অবশেষে, চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ করের উদ্যোগেই গভীর রাতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই বেওয়ারিশ লাশগুলো দাহ করার ব্যবস্থা করা হয়।

লাশ সৎকারের পাশাপাশি পুরো শ্মশান চত্বর স্যানিটাইজ করে দেওয়া হয়েছে। দুর্গাপূজার আগে পৌরসভার এই তৎপরতা এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগে শহরের বাসিন্দা থেকে শুরু করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সকলেই আপ্লূত হয়েছেন।