দীর্ঘদিনের দুর্নীতির অভিযোগের মেঘ কাটিয়ে পাহাড়ে নতুন স্বচ্ছতার বার্তা নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জিটিএ (GTA)-র বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে এবার সরাসরি সিবিআই (CBI)-কে মাঠে নামাল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলতে গঠন করা হলো একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ তদন্তকারী দল।
এদিন দার্জিলিংয়ে এক প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, তার প্রতিটি পয়সা যেন সঠিক খাতে ব্যয় হয়। তিনি বলেন, “পাহাড়ের মানুষের নাগরিক অধিকার এবং উন্নয়নের প্রশ্নে সরকার কোনও আপস করবে না। যেখানেই দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাবে, সেখানেই কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তদন্ত ও উন্নয়নের রূপরেখা:
সিবিআই তদন্ত: জিটিএ-র বিগত কয়েক বছরের আর্থিক লেনদেন ও প্রকল্পের কাজের মান খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ টিম: দুর্নীতির পাশাপাশি কাজের গাফিলতি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে একটি বিশেষ টিম।
উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ: শুধুমাত্র তদন্তেই নয়, মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ের নিকাশি ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে একগুচ্ছ নতুন প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জিটিএ-তে এই তদন্ত পাহাড়ের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণ ও ক্ষমতার ভারসাম্যে এক বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে। এতদিন ধরে যে সব মহলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি এই কঠোর পদক্ষেপ সাধারণ পাহাড়বাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।





