ত্রিশূলীর রূদ্ররূপে কাঁপছে নেপাল! বন্যার ছ’দিন পরেও ধাদিংয়ে ধ্বংসের তাণ্ডব, নিখোঁজ শত শত

নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও গভীর হলো সংকট। নেপালে ভয়াবহ বন্যার ৬ দিন পরেও সমানে ফুঁসছে উত্তাল ত্রিশূলী নদী। পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোত আর জলস্ফীতির জেরে পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে নেপালের ধাদিং জেলায় কাদা, বালি ও পাথরের বিশাল ধ্বংসস্তূপে সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে একাধিক জনপদ। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতু জলের তোড়ে সম্পূর্ণ ভেসে গেছে। যার ফলে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন উদ্ধারকর্মীরা।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টি ও মেঘভাঙা জলের জেরে ত্রিশূলী নদীর জলস্তর বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে বইছে। নদীর তান্ডবে ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ঘরবাড়ি, আবাদি কৃষিজমি এবং স্থানীয় মানুষের একমাত্র উপার্জনের সম্বলগুলো চোখের নিমেষে জলের তলায় তলিয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুধু তাই নয়, সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন শত শত মানুষ। স্থানীয়দের জীবন ও জীবিকায় ঠিক কতটা বড় ধাক্কা লাগল, তা এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের ছবি দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়।

প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী দলগুলি দুর্গত এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালালেও রাস্তাঘাট বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে জরুরি পরিষেবা। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রিয়জনদের খোঁজ না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিখোঁজ পরিবারগুলির সদস্যরা। কীভাবে এই চরম বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াবে নেপালের এই জনপদ, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে মানবিক মহলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। এই প্রলয়ংকরী বন্যা এবং তার পরবর্তী ভয়াবহ পরিস্থিতির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ ও বিশদ আপডেট জানতে সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখতে থাকুন।