জোট চেয়ে বামফ্রন্টকে চিঠি নওশাদের, “ফেসবুকের হাওয়ায় পার্টি চালিয়ে আসন ডিমান্ড করা যাবে না”!

নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট চেয়ে চিঠি দিয়েছেন ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) সভাপতি নওশাদ সিদ্দিকী। এই জোটের মূল লক্ষ্য বিজেপি এবং তৃণমূল, দুই দলকেই পরাজিত করা। নওশাদের চিঠি পাওয়ার পর বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু তাঁকে ফোন করেছেন এবং দুর্গাপূজার পর দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার কথা হয়েছে।

জোটের শর্ত ও খোঁচা

নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “আমরা চাই বিজেপি-তৃণমূলের বাইরে যত সেক্যুলার দল আছে, তারা সবাই এক জায়গায় হোক।” তবে এই জোটের প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি তিনি খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। তিনি বলেন, “গতবার কংগ্রেস আমাদের অচ্ছুৎ মনে করেছিল, আশা করি এবার এমন কিছু হবে না।” একইসঙ্গে তিনি সিপিএম-কেও ঘুরিয়ে বার্তা দিয়েছেন, “ফেসবুকের হাওয়ায় পার্টি চালিয়ে আসন ডিমান্ড করা যাবে না।”

রাহুল গান্ধীর প্রতি বার্তা

নওশাদ কংগ্রেসের সঙ্গে জোট চাইলেও, রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধীর বাংলায় আসা দরকার। তৃণমূলের আমলে যে ভোট চুরিগুলি হচ্ছে, আশা করব বাংলায় এসে সেগুলি এক্সপোজ করবেন। কেন্দ্রের ভোট চোর, রাজ্যের ভোট চোরের বিরুদ্ধে কথা বলবেন।”

কোথায় কতটা শক্তিশালী আইএসএফ?

বামফ্রন্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে টানাপোড়েন চললেও, নওশাদ সিদ্দিকী তার দলের সাংগঠনিক শক্তির উপর ভরসা রাখছেন। তিনি বলেন, “ফেসবুকের সংগঠনে আমরা কনটেস্ট করব না, হাওয়ায় হাওয়ায় লড়াই করব না। যেখানে আমরা বুথ স্তরে সংগঠন তৈরি করতে পারব সেখানেই আমরা লড়ব এবং আসন চাইব।” তিনি দাবি করেন, মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং দিনাজপুরে তাদের সংগঠন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি হাওড়া এবং কলকাতার কিছু জায়গাতেও তাদের সংগঠন যথেষ্ট শক্তিশালী হয়েছে।