‘কোন সাহসে এই কাজ করেছেন?’ সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে নয়ডার ম্যাজিস্ট্রেট, জানুন ঘটনা

আকৃতি চৌধুরীর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার অক্ষত ত্রিপাঠীর মামলায় সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের রোষানলে পড়লেন নয়ডার এগজ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার অভিযোগে গ্রেটার নয়ডার এক আইন পড়ুয়াকে শো-কজ নোটিস পাঠানোর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত।

কী ঘটেছিল পুরো ঘটনায়?

গৌতম বুদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের আইন পড়ুয়া অক্ষত ত্রিপাঠীকে নোটিস পাঠানোর ঘটনার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ গ্রেটার নয়ডার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন। আদালতের স্পষ্ট ভাষায় ভর্ৎসনা, সুপ্রিম কোর্টের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ থাকার পরেও কোন সাহসে একজন ম্যাজিস্ট্রেট এ ধরনের নোটিস জারি করতে পারেন!

বিশ্লেষণে জানা যায়, বিশ বছরের ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে মূলত অভিযোগ ছিল যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য পড়ুয়াদের CJP-র ডাকা যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাশাপাশি, তাঁর বিরুদ্ধে ‘সরকারবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য ছড়ানোর এবং অশান্তিতে উসকানি দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর গ্রেটার নয়ডার এগজ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিএনএসএস (BNSS)-এর ১৩০ নম্বর ধারায় ওই ছাত্রকে শো-কজ নোটিস ধরান। তবে আদালতের তীব্র আপত্তির মুখে পড়ে অসামরিক প্রতিরক্ষা আইনের ১৩০ ধারার অধীনে জারি করা ওই নোটিসটি ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।