অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ম মেনেই পুরনিগমকে (কর্পোরেশন) নতুন করে নোটিশ পাঠাতে হবে। এই নির্দেশের ফলে বিষয়টি নতুন করে আইনি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এগোবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও আইনি মহল।
আদালতের নির্দেশের মূল পয়েন্টগুলো:
পুরনিগমের ওপর দায়: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশ পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট পুরনিগমকে।
অভিষেকের জন্য সময়সীমা: নোটিশ পাওয়ার পর ওই নোটিশের উত্তর দেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তিন সপ্তাহের সময় পাবেন।
পুর-কমিশনারের ভূমিকা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরের পর, পুর-কমিশনারকে সমস্ত নথিপত্র এবং যুক্তি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। এরপরই তিনি মামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
এই নির্দেশের গুরুত্ব: দীর্ঘদিন ধরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন আইনি জটিলতা চলছিল। হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে বিষয়টিকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মের বাঁধনে নিয়ে আসা হলো। একদিকে যেমন পুরনিগমকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলা হয়েছে, অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তার বক্তব্য রাখার পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে এই প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপের দিকে তাকিয়ে আছেন সবাই।
এখন দেখার বিষয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরনিগম নোটিশ পাঠায় কি না এবং অভিষেকের পক্ষ থেকে কী উত্তর আসে। পুর-কমিশনারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে এই মামলার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি।





