খড়গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur) কি তবে মেধাবী ছাত্রদের বধ্যভূমিতে পরিণত হচ্ছে? গত ১৮ এপ্রিলের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল আইআইটি চত্বরে। ১০ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনায় এখন আতঙ্ক ও প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে দেশের এই নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
হস্টেল থেকে উদ্ধার বারাসাতের সোহমের দেহ
মঙ্গলবার বিকেলে খড়গপুর আইআইটির মদনমোহন মালব্য হল থেকে উদ্ধার হয় সোহম হালদার নামে এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ। সোহম উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনার প্রায় শেষ ধাপে এসে কেন তিনি এমন চরম পথ বেছে নিলেন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে দানা বাঁধছে সন্দেহ।
১০ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় মৃত্যু!
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল ঠিক একইভাবে আইআইটির হস্টেলের ৮ তলার নীচে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই শোক সামলে ওঠার আগেই ফের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র সোহমের মৃত্যু কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ও পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।
[Image: IIT Kharagpur main building with a mourning symbol]
কর্তৃপক্ষের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন
বারবার কেন খড়গপুর আইআইটিতে পড়ুয়াদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে? এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত আইআইটি কর্তৃপক্ষের তরফে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য মেলেনি। সোহমের দেহ উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু হস্টেল চত্বরে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে কি না, বা সোহম মানসিক কোনো চাপে ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।





