তামার খনিতেই লুকানো আগামীর কুবেরের ধন! ২০৩৫-এর মধ্যে চাহিদা দ্বিগুণ হওয়ার পূর্বাভাসে তুঙ্গে বিনিয়োগ

বিশ্বজুড়ে সবুজ শক্তি এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের (EV) জয়জয়কার। আর এই রূপান্তরের নেপথ্যে আসল কারিগর হলো তামা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী তামার চাহিদা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ হতে পারে। এই বিপুল চাহিদাকে পুঁজি করে ভারতের তামা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো এখন বিনিয়োগকারীদের রাডারে।

হিন্দুস্তান কপার লিমিটেড: দেশের একমাত্র সমন্বিত তামা উৎপাদনকারী সংস্থা হিসেবে এর আধিপত্য প্রশ্নাতীত। দেশের মোট আকরিক মজুদের প্রায় ৪০ শতাংশই এদের দখলে। ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ১২ মিলিয়ন টনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সংস্থাটি। গত পাঁচ বছরে ১৮% নিট মুনাফা বৃদ্ধি এবং নতুন ব্লক নিয়ে কাজ করার খবরে বৃহস্পতিবার এর শেয়ার ২.০৫ শতাংশ বেড়ে ৬০৭.২৫ টাকায় পৌঁছেছে।

বেদান্ত লিমিটেড: সিলভাসায় ভারতের অন্যতম বড় শোধনাগার পরিচালনা করছে বেদান্ত। জাম্বিয়ার কোনকোলা প্রজেক্টের মাধ্যমে বছরে ৩ লক্ষ টন তামা উৎপাদনের পথে এগোচ্ছে অনিল আগরওয়ালের এই সংস্থা। সম্প্রতি বিরল খনিজ ব্লক অধিগ্রহণের খবরে বৃহস্পতিবার শেয়ার বাজার বন্ধের আগে এর দর ৪.৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩৯.৪৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

হিন্দালকো ইন্ডাস্ট্রিজ: গুজরাটের দাহেজে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কাস্টম কপার স্মেল্টার রয়েছে এদের। গত পাঁচ বছরে নিট মুনাফায় ৩৪% নজরকাড়া প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছে হিন্দালকো। রিসাইক্লিং এবং ডাউনস্ট্রিম ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ায় এর শেয়ারও এদিন ২.৮৩ শতাংশ বেড়ে ১১০৩.৯০ টাকায় থিতু হয়েছে। তামা খাতের এই উত্থান দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের এক সোনালী সুযোগ হতে পারে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy