পরকীয়ার সঙ্গে বিড়ালের সম্পর্ক! চাঞ্চল্যকর সমীক্ষায় দাবি, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানো নারীরা নাকি বেশি বিড়ালপ্রেমী!

বিশ্বব্যাপী পরকীয়া এখন এক মারাত্মক সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে, যার ফলস্বরূপ বিচ্ছেদের হারও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ ধরনের সম্পর্ক পারিবারিক জীবনে গভীর অশান্তি ডেকে আনে, যা শেষ পর্যন্ত বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়। পরকীয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। আর এবার এই কৌতূহলকে আরও উস্কে দিল এক অদ্ভুত সমীক্ষার ফলাফল!

‘ইলিসিটএনকাউন্টারস’-এর সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

সম্প্রতি একটি ডেটিং ওয়েবসাইট ‘ইলিসিটএনকাউন্টারস’ (IllicitEncounters) একটি চাঞ্চল্যকর সমীক্ষা প্রকাশ করেছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, পরকীয়ায় জড়িত নারীদের বেশিরভাগই বিড়ালপ্রেমী। অর্থাৎ, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানো নারীরা নাকি বিড়াল পোষতে বেশি পছন্দ করেন!

আমেরিকার একটি জনপ্রিয় ডেটিং ওয়েবসাইট ১৪০০ পরকীয়ারত নারীর মধ্যে এই সমীক্ষাটি চালায়। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া নারীদের বয়স, পেশা বা অন্য কোনো আর্থ-সামাজিক তথ্য কঠোরভাবে গোপন রাখা হয়েছে, যাতে তারা নির্ভয়ে উত্তর দিতে পারেন।

কোন প্রাণী সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়?

সমীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়, যেসব নারীরা পরকীয়া করছেন তারা কোন প্রাণী পোষেন? সমীক্ষার ফল বলছে, পরকীয়ায় জড়িত নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোষা প্রাণী হলো বিড়াল।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ২২ শতাংশ নারী, যারা পরকীয়ায় লিপ্ত, তারা বিড়াল পোষার কথা জানিয়েছেন। তবে শুধু বিড়াল নয়, অন্যান্য প্রাণী পোষার আগ্রহও দেখা গেছে অংশগ্রহণকারী নারীদের মধ্যে, যার তালিকা নিম্নরূপ:

  • বিড়াল: ২২ শতাংশ
  • মাছ: ১৯ শতাংশ
  • হ্যামস্টার: ১৭ শতাংশ
  • গিনিপিগ: ১৬ শতাংশ
  • টিকটিকি: ১৫ শতাংশ
  • কচ্ছপ: ১৪ শতাংশ
  • পাখি: ১৩ শতাংশ
  • কুকুর: ১২ শতাংশ
  • সাপ: ৫ শতাংশ
  • খরগোশ: ২ শতাংশ

বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবুও কৌতূহল বাড়াচ্ছে

যদিও এই ধরনের সমীক্ষার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনও জানা যায়নি এবং সমীক্ষাকারী ওয়েবসাইটও একে বৈজ্ঞানিক গবেষণা হিসেবে দাবি করেনি, তবুও এই ফলাফল মানুষের মধ্যে নতুন কৌতূহল তৈরি করেছে। এটি কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছাড়াই মানুষের ব্যক্তিগত পছন্দ এবং সম্পর্কের প্রবণতার মধ্যে একটি অদ্ভুত যোগসূত্র তুলে ধরেছে।

পরকীয়ার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এই ধরনের সমীক্ষার ফলাফল বিতর্ক সৃষ্টি করলেও, মানুষের ব্যক্তিগত জীবন এবং পছন্দের ওপর এর প্রভাব কতটুকু, তা নিয়ে আলোচনা চলতে থাকবে।