রূপ বদলে অদ্বিতীয়ার ঘরে পুলস্ত্য! স্ত্রীকে বাঁচাতে কি গত জন্মের স্মৃতি ফিরবে গোরার?

ছোটপর্দায় টানটান উত্তেজনা! জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’-তে আসতে চলেছে এক অভাবনীয় মোড়। দুর্ঘটনার পর অদ্বিতীয়া বা দিতি ধীরে ধীরে নিজের স্মৃতি ফিরে পাওয়ার লড়াই চালাচ্ছে। কিন্তু সেই সুস্থতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল এক নতুন বিপদ। চ্যানেল কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, নায়িকাকে একটি অন্ধকার ঘরে আটকে রেখেছে পুলস্ত্য। সে নিজেকে বদলে ফেলে এমনভাবে উপস্থিত হয়েছে যে, দিতিকে সে নিজের কব্জায় নিয়ে এসেছে।

পুলস্ত্যের দাবি, গত সাত জন্ম ধরে সে দিতির জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্মে সে আর কোনো ভুল করতে চায় না, যেকোনো মূল্যে দিতিকে নিজের করে পেতে সে মরিয়া। যখন পুলস্ত্য শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে দিতির ওপর চড়াও হতে যায়, ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে হাজির হয় গোরা। স্ত্রীকে বাঁচাতে গোরার এই আগমন গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে। তবে চমক এখানেই শেষ নয়; গোরা যখন দিতি বা ফুলকে রক্ষা করতে আসে, তখন সে গত জন্মের কথা উল্লেখ করে। সে জানায়, ফুলকে রক্ষা করার দায়িত্ব একসময় ছিল মুরারী মোহনের, অর্থাৎ বর্তমানের গোরার।

এই ঘটনার পর থেকেই দর্শকদের মনে প্রশ্ন দানা বাঁধছে—তবে কি গত জন্মের কোনো অমিমাংসিত হিসেব নিতে এসেছে গোরা? দিতি ও গোরার কি গত জন্মের কোনো স্মৃতি এই বিপদের মুহূর্তে ফিরে আসছে? পুলস্ত্যের এই অশুভ ছায়া থেকে গোরা কীভাবে দিতিকে উদ্ধার করবে, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে ভক্তরা।

এই মোড় ঘোরানো পর্বগুলো অত্যন্ত বিশেষ। আগামী ২০ জুন থেকে ২২ জুন, টানা তিন দিন জি বাংলার পর্দায় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় সম্প্রচারিত হবে এই বিশেষ এপিসোড। ধারাবাহিকের মুখ্য ভূমিকায় পল্লবী শর্মা এবং বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ছে। উল্লেখ্য, এর আগে গল্পে দেখানো হয়েছিল কুন্তলিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুলস্ত্য অদ্বিতীয়াকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে, এমনকি তান্ত্রিকের সাহায্যে তাকে কুমিরের খপ্পরেও ফেলেছিল। সেখান থেকে কোনোমতে বেঁচে ফেরা দিতির জীবনে পুলস্ত্যর এই নতুন ষড়যন্ত্র কতটা ভয়ংকর আকার নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।