বিশেষ: ৪০ এও ত্বকে থাকবে ২৫শের জেল্লা! রোজ পান করুন মাত্র ১ গ্লাস এই ড্রিঙ্ক

বয়স বাড়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কিন্তু বর্তমানের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও দূষণের কারণে অনেকেই অকালেই বয়সের ছাপ বা বলিরেখার সমস্যায় ভোগেন। ৪০ পার করলেই বাজারচলতি দামি অ্যান্টি-এজিং প্রোডাক্টের পিছনে ছুটতে ছুটতে আমরা ভুলে যাই যে, ত্বকের আসল জেল্লা আসে ভেতর থেকে। শরীর ভেতর থেকে ডিটক্স বা সুস্থ না থাকলে বাহ্যিক রূপচর্চায় দীর্ঘস্থায়ী ফল পাওয়া কঠিন।
ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত ও সতেজ রাখতে নিচে দেওয়া অ্যান্টি-এজিং জুসটি হতে পারে আপনার দৈনন্দিন ডায়েটের শ্রেষ্ঠ সংযোজন। এতে থাকা প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ত্বককে ভিতর থেকে পুষ্টি জোগায়।
জাদুকরী অ্যান্টি-এজিং জুস তৈরির উপকরণ:
বিট: ১টি ছোট (অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর)।
গাজর: ১টি বড় (ভিটামিন-এ এবং বিটা-ক্যারোটিনের উৎস)।
টমেটো: ১টি মাঝারি (লাইকোপিন সমৃদ্ধ, ত্বক টানটান রাখে)।
পুদিনা পাতা: ৫-৬টি (সতেজতার জন্য)।
লেবুর রস: ১ চামচ (ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ)।
স্বাদমতো: ভাজা জিরে গুঁড়ো ও বিটনুন।
তৈরির সহজ পদ্ধতি: ১. প্রথমে বিট, গাজর ও টমেটো ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে কেটে নিন। ২. মিক্সার গ্রাইন্ডারে কাটা সবজিগুলো ও পুদিনা পাতা দিয়ে দিন। ৩. আধ কাপ জল মিশিয়ে খুব মসৃণ করে ব্লেন্ড করে নিন। ৪. চাইলে ছেঁকে নিতে পারেন, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ফাইবার-সহ পান করা পেট ও ত্বক উভয়ের জন্যই বেশি কার্যকরী। ৫. সবশেষে লেবুর রস, বিটনুন ও ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিলেই তৈরি আপনার ম্যাজিক ড্রিংক!
পানের সঠিক নিয়ম: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে অথবা দুপুরের খাবারের ঠিক এক ঘণ্টা আগে এই জুস পান করুন। মনে রাখবেন, কেবল এই পানীয়ই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান, সুষম ডায়েট এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চললে খুব দ্রুত ত্বকের জাদুকরী পরিবর্তন আপনার চোখে পড়বে।