বার্ধক্য ভাতার অঙ্ক বাড়ল! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতোই এবার বড় চমক জেপি সরকারের, জেনে নিন নতুন হার

জেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পগুলোতে আমূল পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। পূর্ববর্তী সরকারের চালু করা প্রকল্পগুলোর নাম এবং ভাতার পরিমাণ—উভয় ক্ষেত্রেই এনেছে বড়সড় চমক। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩ হাজার টাকা এবং যুবসাথীর বদলে ৩ হাজার টাকা ‘যুবশক্তি’ প্রকল্পের আওতায় দেওয়ার পর, এবার বার্ধক্য ভাতা নিয়েও এল নতুন ঘোষণা।

আগের তুলনায় বার্ধক্য ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত রাজ্যের বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নতুন সরকার। সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গায় সরকারি জনকল্যাণ শিবিরের মাধ্যমে নতুন করে বার্ধক্য ভাতার আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়াটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুব দ্রুতই পুনরায় এই আবেদন প্রক্রিয়া চালু করা হবে।

আবেদন করার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও শর্তাবলী:
সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বার্ধক্য ভাতার সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীকে বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে:
১. বসবাসের প্রমাণ: আবেদনকারীকে টানা অন্তত ১০ বছর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বসবাসকারী হতে হবে।
২. প্রয়োজনীয় নথিপত্র: যে কোনো প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর কাছে থাকা আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রতিলিপি জমা দিতে হবে।
৩. আবেদন প্রক্রিয়া: বর্তমানে অফলাইন এবং অনলাইন উভয় মাধ্যমেই আবেদন জমা নেওয়ার কাজ স্থগিত রয়েছে। সরকার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার নতুন তারিখ ঘোষণা করলে যোগ্য প্রার্থীরা তখন আবেদন করতে পারবেন।

যারা নতুন করে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চাইছেন, তাদের সব নথিপত্র এখন থেকেই গুছিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন। বিশেষ করে ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ডের তথ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ বয়স্ক মানুষ যে নতুন করে বাড়তি আর্থিক সুবিধা পাবেন, তা বলাই বাহুল্য। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার তারিখ সম্পর্কে অবগত থাকতে নজর রাখুন সরকারি পোর্টাল বা স্থানীয় প্রশাসনের ঘোষণার দিকে।