রাজ্যের প্রশাসনিক মসনদে বসার পর থেকেই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি পুনরায় নিজের দৃঢ় সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “মানুষের ভালোর জন্য যা করার দরকার, সবই করব।” তাঁর এই মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
দায়িত্বের ভার ও নতুন দিশা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে গতি বাড়াতে মরিয়া শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি স্পষ্ট করেন, তাঁর সরকার কেবলমাত্র রাজনীতির জন্য নয়, বরং জনকল্যাণই তাদের মূল এজেন্ডা। তিনি বলেন, “নির্বাচনি ইশতেহারে যা বলেছি, তা একে একে বাস্তবায়ন করাই এখন আমাদের অগ্রাধিকার। মানুষের দীর্ঘদিনের অভাব-অভিযোগ নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কী কী লক্ষ্য তাঁর? সূত্রের খবর, রাজ্যের বেহাল পরিকাঠামো এবং সরকারি পরিষেবার গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে কিছু বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আজকের এই বার্তায় মূলত তিনটি দিক ফুটে উঠেছে:
জনমুখী প্রশাসন: সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা আনা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো।
দ্রুত পরিষেবা: সাধারণ মানুষের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে ‘ডোর-স্টেপ ডেলিভারি’ বা পরিষেবার বিকেন্দ্রীকরণের ওপর জোর।
উন্নয়নমূলক প্রকল্প: রাজ্যের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং নতুন শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা।
রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল বিরোধী শিবির অবশ্য তাঁর এই ঘোষণাকে দেখছে রাজনৈতিক চমক হিসেবেই। তবে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রাজ্যের প্রতিটি সমস্যার গভীরে গিয়ে সমাধান করতে চান। ‘মানুষের ভালো’ করার এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষ।





