বাজারে ভোজ্য তেল কিনতে গিয়ে ওজনে কারচুপির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থে রান্নার তেলের প্যাকেটের আকার ও মান নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। এখন থেকে ভোজ্য তেলের ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্যাকেটজাত করতে হবে পণ্য, যার ফলে ঠকার সম্ভাবনা আর থাকবে না।
কী পরিবর্তন আসছে? সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোজ্য তেলের প্যাকেটের গায়ে নেট ওয়েট বা আয়তন সংক্রান্ত তথ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। দেশের তৈরি বা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত—উভয় ক্ষেত্রেই এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। যে সব জনপ্রিয় তেলের ওপর এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে:
সর্ষের তেল
সয়াবিন তেল
সূর্যমুখী (সানফ্লাওয়ার) তেল
পাম অয়েল
বাদাম তেল
কেন এই নিয়ম? অনেক সময় নামী ব্র্যান্ড বা খোলা তেলের ক্ষেত্রে প্যাকেটের ওপর লেখা পরিমাণের সাথে বাস্তবের গরমিল দেখা যায়। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ায় প্রতিটি প্যাকেটে কতটুকু তেল রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এর ফলে বিভ্রান্তি কমবে এবং সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন।
সব তেলের ক্ষেত্রেই সমান প্রযোজ্য: কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে, শুধুমাত্র দেশীয় কোম্পানি নয়, বিদেশ থেকে আমদানি করা তেলের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে। কোনো বিক্রেতা বা প্রস্তুতকারী সংস্থা এই নিয়ম না মানলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বাজারের অনিয়ম রুখতে সরকারের এই পদক্ষেপ সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য বড় স্বস্তির খবর হিসেবেই দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। সুতরাং, এখন থেকে তেল কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে লেখা তথ্যের দিকে অবশ্যই নজর রাখুন!





