রান্নার গ্যাস বা এলপিজি (LPG) সংযোগ রয়েছে এমন প্রতিটি পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। গ্যাস পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ এবং নিরাপদ করতে সরকার নতুন কিছু নিয়মের কড়াকড়ি শুরু করেছে। যদি আপনি আপনার গ্যাস সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে চান, তবে নিচের ৭টি নিয়ম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা আবশ্যিক:
জেনে নিন ৭টি জরুরি নিয়ম:
১. কেওয়াইসি (e-KYC) আপডেট: আপনার গ্যাস সংযোগের সাথে আধার কার্ডের লিঙ্ক এবং ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা এখন বাধ্যতামূলক। যদি এটি এখনও না করে থাকেন, তবে দ্রুত ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে যোগাযোগ করুন।
২. ঠিকানার সঠিক প্রমাণ: গ্যাস সংযোগের ঠিকানার সাথে বর্তমান বসবাসের ঠিকানার মিল থাকা প্রয়োজন। ঠিকানা পরিবর্তন হলে তা অবিলম্বে সংস্থাকে জানাতে হবে।
৩. অডিট বা যাচাইকরণ: সংস্থা থেকে যখনই নিরাপত্তা অডিট বা সিলিন্ডার যাচাইয়ের জন্য প্রতিনিধি আসবেন, তাদের সহযোগিতা করুন। তথ্য গোপন করলে পরিষেবা বন্ধ হতে পারে।
৪. নির্দিষ্ট সময় পরপর বুকিং: মাসের পর মাস গ্যাস বুকিং না করলে বা সংযোগ নিষ্ক্রিয় থাকলে সংস্থা আপনার সংযোগটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিতে পারে।
৫. নিরাপত্তা পরীক্ষা (Safety Check): গ্যাস পাইপ এবং রেগুলেটরের মেয়াদ উত্তীর্ণ কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করান। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া পাইপ ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
৬. একাধিক সংযোগ নিষিদ্ধ: একই পরিবারে বা একই ঠিকানায় একের বেশি ব্যক্তিগত এলপিজি সংযোগ রাখা নিয়মবিরুদ্ধ। এনিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।
৭. ডিজিটাল লেনদেনে নজর: গ্যাস বুকিং এবং টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে সরকারের দেওয়া অফিশিয়াল অ্যাপ বা পোর্টাল ব্যবহার করুন। এতে ট্রানজ্যাকশনের রেকর্ড স্বচ্ছ থাকে।
কেন এই নিয়ম? মূলত ভূতুড়ে সংযোগ রুখতে এবং প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে ভর্তুকির টাকা ও পরিষেবা পৌঁছে দিতেই এই কড়াকড়ি। নিয়মের অমান্য করলে আপনার গ্যাস সংযোগ সাময়িকভাবে স্থগিত বা পুরোপুরি বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তাই দেরি না করে, আজই আপনার নিকটস্থ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে গিয়ে যাচাই করে নিন আপনার নথিগুলি ঠিক আছে কি না।





