‘গায়ে আঁচড় লাগলে ফল ভুগতে হবে!’ নিরাপত্তা প্রত্যাহারে ক্ষোভে ফুঁসছেন রোহিনী আচার্য

বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব এবং রাবড়ি দেবীর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনাকে ‘প্রতিহিংসামূলক’ বলে বর্ণনা করে মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন লালু-কন্যা রোহিনী আচার্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় রোহিনী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “সাতটি খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রীর সরকার লালু পরিবারের শারীরিক ক্ষতির উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে।”

নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করার প্রতিবাদে লালুপ্রসাদ যাদব ও রাবড়ি দেবী তাঁদের জেড-প্লাস নিরাপত্তার অবশিষ্ট পুলিশ কর্মীদেরও ফিরিয়ে দিয়েছেন। একই পথে হেঁটেছেন বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব, যিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে সমস্ত নিরাপত্তা রক্ষীদের সরিয়ে দিয়েছেন। রোহিনী আচার্য ক্ষোভের সুরে বলেন, “নামমাত্র নিরাপত্তা রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। লালু-রাবড়ি বা পরিবারের কারো গায়ে সামান্য আঁচড় লাগলে তার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সরকারের কোনো ধারণাই নেই।”

রোহিনী আচার্য বিহারের কোটি কোটি সমর্থককে রাবড়ি দেবীর বাসভবনে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সমর্থকদের বার্তা দিয়েছেন যে, বিহারের জনগণই তাঁদের পরিবারের প্রকৃত ‘রক্ষাকবচ’। আরজেডি নেতৃত্বের দাবি, বর্তমান সরকার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে হেনস্থা করছে। তবে বিহারের মানুষ এই অন্যায়ের যোগ্য জবাব দেবে বলে তিনি সাফ জানিয়েছেন। নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে এই রাজনৈতিক সংঘাত এখন বিহারের শাসনব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।