ফিটনেস সচেতন মানুষের ডায়েট চার্টে এখন নতুন সংযোজন ‘নাট বাটার’। ওজন কমানোর যাত্রায় চিনি, ভাজা কিংবা জাঙ্ক ফুড পুরোপুরি বাদ দিলেও পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবারের সন্ধানে অনেকেই পিনাট বাটার, আমন্ড বাটার কিংবা ক্যাশু বাটারের দিকে ঝুঁকছেন। তবে ওজন কমানোর লক্ষ্য থাকলে সব ধরনের নাট বাটার কি সমান কার্যকর? কোনটিতে ক্যালোরি কম আর কোনটি প্রোটিনের পাওয়ার হাউস—তা না জেনে ডায়েট চার্ট তৈরি করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
সাধারণত সব ধরনের নাট বাটারই স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবারের চমৎকার উৎস। তবে এদের পুষ্টিগুণ ও ক্যালোরির মাত্রায় কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। পিনাট বাটার বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী। যারা উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খুঁজছেন, তাদের জন্য পিনাট বাটার সেরা পছন্দ হতে পারে। এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমে।
অন্যদিকে, আমন্ড বাটারকে অনেকের কাছেই ‘প্রিমিয়াম’ বিকল্প হিসেবে গণ্য করা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। যারা শরীরের অভ্যন্তরীণ পুষ্টির মান বাড়াতে চান, তাদের জন্য আমন্ড বাটার একটি আদর্শ খাবার। অপরদিকে ক্যাশু বাটার তার মসৃণ ও ক্রিমি টেক্সচারের জন্য পরিচিত। স্বাদ কিছুটা মিষ্টি হওয়ায় এটি রুটি বা ডেজার্টে অনায়াসেই মেশানো যায়।
ওজন কমানোর লড়াইয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কোনটি সেরা? পুষ্টিবিদদের মতে, ক্যালোরির কথা চিন্তা করলে ক্যাশু বাটারে ক্যালোরির পরিমাণ সাধারণত কিছুটা কম থাকে। তবে দীর্ঘমেয়াদী তৃপ্তি ও উচ্চ প্রোটিনের কথা বিবেচনা করলে পিনাট বাটারই ওজন কমানোর প্রক্রিয়ায় বেশি উপযোগী। আপনার লক্ষ্য যদি হয় দ্রুত পেট ভরাট রেখে বাড়তি ক্যালোরি ঝরানো, তবে পিনাট বাটার বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে যাই বেছে নিন না কেন, পরিমিত পরিমাণ বজায় রাখাই সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।





