অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার ২০২৬-২৭-এর জন্য আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সঠিক কাগজপত্র থাকলে কর ছাড় ও রিফান্ড পাওয়া সহজ হয়। আয়কর বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে থেকে নথি গুছিয়ে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে এবং নোটিশ পাওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়।
সবার আগে ফর্ম ১৬ ও ফর্ম ২৬এএস মিলিয়ে নিন। বেতনভোগীদের জন্য ফর্ম ১৬ অপরিহার্য, যেখানে আয় ও কর কর্তনের তথ্য থাকে। একইভাবে ফর্ম ২৬এএস-এ টিডিএস ও অগ্রিম করের রেকর্ড থাকে। বার্ষিক তথ্য বিবরণী (AIS) এবং ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে এই তথ্যগুলো যাচাই করা জরুরি, কারণ সুদ বা লভ্যাংশ আয়ের অমিল হলে ত্রুটি হতে পারে।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পিপিএফ, ইএলএসএস, জীবন বীমা বা স্বাস্থ্য বীমার রসিদ ও এনপিএস অবদানের নথিগুলো সাথে রাখুন, যা কর সাশ্রয়ে সহায়তা করবে। এছাড়া এইচআরএ (HRA) ছাড়ের জন্য ভাড়ার রসিদ এবং চুক্তিপত্র গুছিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক। ফ্রিল্যান্সার বা ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বিল, আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং জিএসটি নথি প্রয়োজন। শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা সম্পত্তি বিক্রি করলে ক্যাপিটাল গেইন সংক্রান্ত নথি এবং গৃহঋণের সুদের শংসাপত্রও সংরক্ষণ করা উচিত। নির্ভুল তথ্য প্রদান করলে রিফান্ড দ্রুত পাওয়া যায় এবং কর সংক্রান্ত জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়। সময় থাকতেই আপনার আর্থিক নথিপত্র গুছিয়ে নিন।





