বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াতে তারাতলা ব্রিজে সতর্কতা, হঠাৎ সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বেরোতেই চাঞ্চল্য!

কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল তারাতলা ব্রিজে গ্যাস লিককে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হলো। সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে কর্মব্যস্ত সকালে এই ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলকাতার দিকে আসা নিত্যযাত্রীদের মধ্যে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়। বড়সড় বিপদ এড়াতে পুলিশ ও দমকল বাহিনী তড়িঘড়ি ব্রিজের ওপর যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, পৈলানের একটি গ্যাস পাম্পে রিফিল করানোর উদ্দেশ্যে একটি গাড়ি যাচ্ছিল। তারাতলা ব্রিজের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই গাড়িতে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডারের মুখ আলগা হয়ে খুলে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ঝাঁঝালো গ্যাসে ভরে যায় আশেপাশের এলাকা। সিলিন্ডার থেকে হু হু করে গ্যাস বেরোতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পথচারী ও গাড়িচালকদের মধ্যে।

খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একটি ইঞ্জিন ও স্থানীয় থানা পুলিশ। প্রাথমিকভাবে দমকল বাহিনীর অনুমান, রাস্তার ঝাঁকুনির কারণেই হয়তো সিলিন্ডারের মুখটি আলগা হয়ে এই বিপত্তি ঘটেছে। গ্যাস লিকের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্রিজের ওপর ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই পুলিশ দ্রুত ব্রিজের ওপর যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

দমকল কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সিলিন্ডারের মুখটি বন্ধ করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আর কোনো ভয়ের কারণ নেই বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এলাকা থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক কাটতেই ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এই ঘটনাটি শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চিন্তার উদ্রেক করেছে। গাড়িগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার বহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার সতর্কতা বজায় রাখা যে কতটা জরুরি, তারাতলার এই ঘটনা তা আবারও মনে করিয়ে দিল। তবে বড় ধরনের কোনো অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।