বর্তমান প্রজন্মের বাবা-মায়েদের কাছে ‘পজিটিভ প্যারেন্টিং’ শব্দটি বেশ পরিচিত। কিন্তু এটি আসলে কী? অনেক বাবা-মা মনে করেন সন্তানকে সব কিছুতে ছাড় দেওয়াই হয়তো ইতিবাচক অভিভাবকত্ব, কিন্তু বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। পজিটিভ প্যারেন্টিং হলো এমন একটি লালন-পালন পদ্ধতি যেখানে শাসন নয়, বরং ভালোবাসা, সম্মান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সন্তানের আচরণের সংশোধন করা হয়।
পজিটিভ প্যারেন্টিং কী?
সহজ কথায়, পজিটিভ প্যারেন্টিং হলো সন্তানের সাথে একটি গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। এটি শিশুকে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ভালো কাজের জন্য উৎসাহিত করে সঠিক পথে পরিচালিত করার একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। এতে শিশুকে শারীরিক বা মানসিকভাবে আঘাত না করে তার ভুলের পেছনের কারণ বোঝার চেষ্টা করা হয়।
যেভাবে মেনে চলবেন:
ধৈর্য ধারণ করুন: সন্তান ভুল করলে তাৎক্ষণিক রাগ না দেখিয়ে শান্ত থাকুন। চিৎকার করলে শিশুর মনে ভয়ের সৃষ্টি হয়, যা তার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
আদেশের বদলে অনুরোধ: “এটা করো না” বলার চেয়ে “চলো আমরা এটা করি” বলা অনেক বেশি কার্যকর। নেতিবাচক শব্দের বদলে ইতিবাচক বাক্য ব্যবহার করুন।
শুনতে শিখুন: সন্তান কী বলতে চায় তা মন দিয়ে শুনুন। সে যখন বুঝবে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন সেও আপনার কথা শুনতে আগ্রহী হবে।
প্রশংসা করুন: ছোট কোনো ভালো কাজের জন্যও সন্তানের প্রশংসা করুন। এটি তাকে ভালো কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।
কোয়ালিটি টাইম দিন: প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় ফোন বা ল্যাপটপ দূরে রেখে সন্তানের সাথে খেলুন বা গল্প করুন।





