তীব্র গরমে আপনার আদরের সন্তান বিপদে নেই তো? বিপদ এড়াতে আজই জেনে নিন এই ৫টি জরুরি নিয়ম!

১. জল শূন্যতা রোধে বিশেষ নজর:
গরমে শিশুর শরীর থেকে প্রচুর জল ঘাম হয়ে বেরিয়ে যায়। শিশুকে বারবার জল , ডাবের জল বা ঘরে তৈরি ফলের রস খাওয়ান। যদি শিশু এখনো কেবল বুকের দুধ পান করে, তবে তাকে ঘনঘন দুধ দিন। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ হলে বুঝবেন তার শরীরে জলের অভাব হচ্ছে।

২. পোশাক নির্বাচনে সচেতনতা:
এই সময়ে শিশুকে গাঢ় রঙের বা সিন্থেটিক কাপড় একদম পরাবেন না। সবসময় হালকা রঙের সুতির ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নিন। সুতির কাপড় ঘাম শুষে নেয় এবং বাতাস চলাচলে সাহায্য করে, যা শিশুকে ঘামাচি ও র‍্যাশ থেকে রক্ষা করবে।

৩. রোদে বের হওয়া নিষেধ:
সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কড়া রোদে শিশুকে বাইরে নিয়ে যাবেন না। যদি বিশেষ প্রয়োজনে বের হতেই হয়, তবে ছাতা ব্যবহার করুন এবং শিশুর মাথা ঢেকে রাখুন। মনে রাখবেন, সরাসরি রোদ শিশুর কোমল ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

৪. প্রতিদিন স্নানও পরিচ্ছন্নতা:
গরমে শিশুকে প্রতিদিন নিয়ম করে কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার জলে স্নান করান। শরীর ঘামলে ভেজা তোয়ালে দিয়ে বারবার মুছে দিন। তবে ঘাম বসা অবস্থায় হুট করে স্নানকরাবেন না বা এসির নিচে নেবেন না; এতে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৫. খাবারে পরিবর্তন:
বাইরের খোলা খাবার বা রাস্তার কাটা ফল শিশুকে একদম দেবেন না। তেল-মশলাযুক্ত খাবারের বদলে সহজপাচ্য খাবার যেমন—সবজি খিচুড়ি, দই বা পানীয় জাতীয় খাবার দিন।

কখন সতর্ক হবেন?
যদি দেখেন শিশু অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করছে, শরীর অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে গেছে, প্রস্রাব কমে গেছে কিংবা বমি করছে—তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সামান্য অসাবধানতা বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy