গরমের পারদ চড়তেই গৃহিণীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। একদিকে যেমন তীব্র গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তেমনই রান্নায় স্বাদ বজায় রাখাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে বাজার থেকে আনা পনির রান্না করলেই ছিবড়ের মতো শক্ত হয়ে যাওয়া কিংবা ফ্রিজে রাখা দই নিমেষেই টক হয়ে যাওয়া— এই সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। তবে চিন্তা নেই, আপনার হেঁশেল সামলাতে আজ রইল চমৎকার কিছু স্মার্ট হ্যাকস।
এক চুটকিতে সমস্যার সমাধান হবে এই টিপসগুলোতে:
দই টক হওয়া রুখতে: গরমের চোটে দই খুব দ্রুত গেঁজে ওঠে বা টক হয়ে যায়। দই জমানোর সময় বা ফ্রিজে রাখার আগে তাতে সামান্য এক চুটকি নুন মিশিয়ে দিতে পারেন। আবার দইয়ের পাত্রটি বড় একটি জলের পাত্রের উপর বসিয়ে রাখলেও তা দীর্ঘক্ষণ টাটকা থাকে। তবে ব্যবহারের সময় সবসময় শুকনো চামচ ব্যবহার করা মাস্ট।
পনির হবে মাখনের মতো নরম: ফ্রিজ থেকে বের করা পনির রান্নার পর অনেক সময় কড়কড়ে বা শক্ত হয়ে যায়। এর হাত থেকে বাঁচতে পনির রান্নার আগে হালকা গরম নুন জলে অন্তত ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে পনিরের ভেতরের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং গ্রেভিতে দেওয়ার পর তা তুলতুলে হয়।
লেবুর রস বেশি পেতে: ফ্রিজে রাখা পাতিলেবু অনেক সময় শুকিয়ে যায় এবং রস বেরোতে চায় না। লেবু কাটার আগে মিনিট খানেক গরম জলে চুবিয়ে রাখুন অথবা শক্ত জায়গায় রেখে হাতের তালু দিয়ে সামান্য ঘষে নিন। দেখবেন দ্বিগুণ রস বেরোচ্ছে।
বিস্কুট মুচমুচে রাখতে: বর্ষা হোক বা গরম, বাতাসে আর্দ্রতা বাড়লে বিস্কুট খুব তাড়াতাড়ি নুয়ে যায়। বিস্কুটের কৌটোর নিচে এক চামচ চিনি বা সামান্য চাল রেখে দিন। এটি অতিরিক্ত আর্দ্রতা শুষে নিয়ে বিস্কুটকে রাখবে একদম কড়কড়ে।
কাঁচা লঙ্কা সতেজ রাখতে: কাঁচা লঙ্কা দ্রুত পচে যাওয়া আটকাতে বোঁটা ছাড়িয়ে রাখুন। বায়ুরোধী কৌটো বা জিপলক ব্যাগের নিচে একটি টিস্যু পেপার বিছিয়ে লঙ্কাগুলো রাখলে তা দীর্ঘ ১৫ দিন পর্যন্ত টাটকা থাকবে।
হেঁশেল সামলানো এখন আর ঝক্কির কাজ নয়! এই ছোট ছোট টিপসগুলো মাথায় রাখলে রান্নার স্বাদ যেমন বাড়বে, তেমনই অপচয় কমবে আপনার সাধের রান্নার উপকরণের। আজই ট্রাই করে দেখুন!





