চুইংগাম মূলত তৈরি হয় সিন্থেটিক রাবার (গাম বেস), মিষ্টি, রং এবং ফ্লেভার দিয়ে। আমাদের পাকস্থলী অন্যান্য খাবার হজম করতে পারলেও চুইংগামের এই ‘গাম বেস’ অংশটি পুরোপুরি ভাঙতে বা হজম করতে পারে না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে এটি পেটে বছরের পর বছর পড়ে থাকবে।
১. সাত বছরের রহস্য কি সত্যি?
একদমই না! এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম বড় একটি মিথ বা গুজব। আমাদের পরিপাকতন্ত্র অত্যন্ত শক্তিশালী। চুইংগাম হজম না হলেও পাকস্থলীর পেশিগুলো একে ঠেলে অন্ত্রের দিকে পাঠিয়ে দেয়। সাধারণত গিলে ফেলার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এটি মলের সাথে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
২. কখন এটি বিপজ্জনক হতে পারে?
একটি বা দুটি ছোট চুইংগাম গিলে ফেললে ভয়ের কিছু নেই। তবে যদি কেউ একসাথে অনেকগুলো চুইংগাম গিলে ফেলে, তবে সেগুলো অন্ত্রে আটকে গিয়ে ‘ব্লকেজ’ বা বাধার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি থাকে, কারণ তাদের অন্ত্রের পথ তুলনামূলকভাবে সরু।
৩. গিলে ফেললে কী করবেন?
আতঙ্কিত হবেন না: স্বাভাবিকভাবে পানি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান।
লক্ষ্য রাখুন: যদি চুইংগাম গেলার পর পেটে প্রচণ্ড ব্যথা, বমি ভাব বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সম্পাদকীয় টিপস
চুইংগাম খাওয়ার সময় কথা বলা বা হাসাহাসি করা এড়িয়ে চলুন, যাতে দুর্ঘটনাবশত এটি গলায় আটকে না যায়। আর ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের চুইংগাম না দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।





