গরমে দ্রুত পচে ডিম? মাত্র ২ মিনিটের এই ‘ম্যাজিক’ পরীক্ষায় চিনে নিন ভালো ডিম্

বর্তমান সময়ে সুঠাম শরীর আর প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডিমের কোনো বিকল্প নেই। অনেকেই ঝক্কি কমাতে একেবারে গোটা একটা ট্রে কিনে ফ্রিজে মজুত করেন। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে তখনই, যখন বোঝা যায় না কোন ডিমটি টাটকা আর কোনটি পচা। একটি নষ্ট ডিম পেটে গেলে হতে পারে মারাত্মক ফুড পয়জনিং। তবে চিন্তা নেই, মাত্র ২ মিনিটের একটি ঘরোয়া পরীক্ষাতেই আপনি বুঝে যাবেন ডিমটি খাওয়ার যোগ্য কি না।

ম্যাজিক পরীক্ষা: ‘ফ্লোট টেস্ট’ ডিম তাজা না বাসি, তা বুঝতে এক বাটি জলই যথেষ্ট। কীভাবে করবেন?

  • ডিম যদি ডুবে যায়: বাটির জলে ডিমটি রাখার সাথে সাথে যদি তা তলায় থিতিয়ে পড়ে, তবে বুঝবেন এটি একদম টাটকা।

  • যদি হেলে থাকে: ডিমটি যদি মাঝখানে কিছুটা হেলে থাকে, তবে বুঝবেন এটি ২-৩ সপ্তাহের পুরনো, তবে এখনও খাওয়ার জন্য নিরাপদ।

  • যদি ভেসে ওঠে: ডিমটি যদি জলের ওপর ভেসে থাকে, তবে সেটি একদম পুরনো এবং নষ্ট হয়ে গেছে। এই ডিম ভুলেও খাবেন না।

কেন এমন হয়? আসলে ডিম যত পুরনো হয়, তার খোসার ভেতরের বায়ুকোষে বাতাসের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এর ফলে পচা ডিম হালকা হয়ে যায় এবং জলের ওপর ভাসতে শুরু করে।

পচা ডিম চেনার আরও ৩টি উপায়: ১. ঘ্রাণশক্তি: ডিম ভাঙার পর যদি সামান্যতম কটু বা তীব্র গন্ধ পান, তবে সেটি সাথে সাথে ফেলে দিন। ২. কুসুমের রঙ: ভালো ডিমের কুসুম সাধারণত হলুদ বা কমলা হয়। কুসুম যদি গোলাপি, সবুজ বা কালচে দেখায়, তবে সেটি বিষাক্ত হতে পারে। ৩. খোসার ভাব: ডিমের খোসা যদি আঠালো হয় বা তাতে সূক্ষ্ম ফাটল থাকে, তবে সেখান দিয়ে ব্যাকটিরিয়া প্রবেশের সম্ভাবনা থাকে।

কতদিন পর্যন্ত নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে ৩ থেকে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত ডিম নিরাপদ থাকে। তবে গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরমে ডিম দ্রুত নষ্ট হওয়ার প্রবণতা থাকে। তাই রান্নার আগে অন্তত একবার এই ছোট পরীক্ষাটি করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy